ক’রোনার ভ্যাকসিন নিয়ে গোটা ভারতে যখন তৎপরতা শুরু হয়েছে তখন ওই ভ্যাকসিনে শুকরের চর্বি ব্যাবহার নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

ভারতীয় মু’সলিম সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের ও’পর ওই ভাকসিন প্রয়োগ করা যাবে না।

শনিবার তিনি বলেছেন ‘গোটা বিশ্ব ক’রোনাভা’ইরাসের কবলে কিন্তু তাই বলে মু’সলিম সম্প্রদা’য়ের মানুষ

এই ভাই’রাসকে ভ’য় পায় না এবং তাদের ভ্যকসিনের প্রয়োজন নেই। আমি পরিস্কার করে বলতে চাই, মু’সলিমরা ভ্যাকসিন ব্যবহার করবে না।’

তার কোন মু’সলিম ভাইয়েরা এই ক’রোনা ভ্যাকসিন ব্যবহার করবে না যতক্ষণ না পর্যন্ত কোন মু’সলিম পন্ডিত এই ভ্যাকসিনের ফরমুলা দেখে নির্দেশ দেবে।

তিনি বলেন ‘এটা আমাদের জন্য ক্ষ’তিকারক। শুকরের মাংস খাওয়া বা ব্যবহার করা-উভ’য়ই ইসলামে হারাম বলে গণ্য করা হয়ে থাকে।

তাই এই ভ্যাকসিনের ফর্মুলা প্রথমে কোন ইসলামিক পন্ডিতের সামনে দেখাতে হবে তার পর মু’সলিম সম্প্রদা’য়ের মানুষদের মধ্যে তা প্রয়োগ করা হবে।’

সম্প্রতি উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম দেওবন্দ’ এর এক মৌলবীও মু’সলিম সমাজকে আর্জি জানিয়ে বলেছেন, ক’রোনা ভ্যাকসিন ব্যবহার করার আগে মু’সলিমদের উচিত,

ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদানগু’লি ইসলামের জন্য অনুমমোদিত কি না। এই ভ্যাকসিন মু’সলিমদের জন্য নিরাপদ কি না তা ফতোয়া বিভাগের তরফে ঘোষণা দেওয়ার পরই তা ব্যবহার যোগ্য হবে। গতকালই

মুম্বাইয়ের রাজা অ্যাকাডেমির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুর দাবি করেন চীনের ক’রোনা ভ্যাকসিনে পর্ক জিলেটিন ব্যবহার

করা হয়েছে ফলে চীনের তৈরি ক’রোনা ভ্যাকসিন অবিলম্বে ভারতে ব্যবহারের ও’পর নি’ষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত।

কারণ এই ভ্যাকসিন মু’সলিমদের জন্য হারাম। একইসাথে তার দাবি, কোনও ভ্যাকসিন এ দেশের আনার আগে স’রকারের উচিত ভ্যাকসিন সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রকাশ করা।

আমাদের জানা দরকার কোন ভ্যাকসিনে কি কি ব্যবহার করা হচ্ছে। তাহলে মু’সলিম সমাজের মানুষকে এই বি’ষয়ে আবগত করা যাবে।

যদিও ফাইজার, মডার্না, অ্যাস্ট্রজেনেকা’এর মতো ও’ষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের ভ্যাকসিনে পর্ক জিলেটিনের ব্যবহার করা হয়নি। সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here