টানা ৩৫ দিন ধরে ডিম নিজের বুকে তা দিয়ে একটি হাঁসের বাচ্চাকে জীবন দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অ’ঙ্গরাজ্যের এক না’রী।

একটি পার্কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ডিমটিকে কুড়িয়ে পেয়েছিলেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বি’ষয়টি জানাজানি হলে বেটসি রোজ নামে ওই না’রীর প্রশংসা করেছেন বেশিরভাগ মানুষ।

জানা যায়, পরিবারের সদস্যদের স’ঙ্গে একদিন পার্কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তিনি ভাঙা অবস্থায় একটি হাঁসের বাসা দেখতে পান। তখনও সেখানে একটি ডিম হালকা ফাটল নিয়ে বেঁচে ছিল।

বেটসির স’ন্তানরা ডিমটিকে উ’দ্ধারের বায়না ধরে। হ্যাচিংয়ের (ডিম ফোটানো) পূর্বাভিজ্ঞতা না থাকলেও তিনি সেটিকে বাড়িতে নিয়ে যান।

তখন তার মাথায় চিন্তা এলো, নিজের বুকের ভে’তরে রেখেই ডিমের ভে’তরে থাকা বাচ্চাটিকে পৃথিবীর আলো দেখাবেন তিনি।

ইন্টারনেটে সার্চ করেও দেখলেন তিনি সঠিক সি’দ্ধান্তই নিয়েছেন। স’ঙ্গে স’ঙ্গে তিনি পড়েও নিলেন বিভিন্ন আনুষঙ্গিক বি’ষয় সম্প’র্কে।

বেটসি বলেন, আমার বুক ঘামে ভিজে যেত। টানা ৩৫ দিন ধরে এটিকে সবসময় স’ঙ্গে রেখেছি। এমনকি ঘুমের সময়েও।

তবে গোসলের সময় ডিমটিকে কয়েক মিনিটের জন্য স্বা’মীর হাতে দিয়ে যেতেন তিনি।মাঝখানে স’মস্যা মনে হওয়ায় প্রা’ণী চিকিৎকের পরামর্শও নেন তিনি।

একদিন ডিম ফুটে বাচ্চাটি আলোর মুখ দেখলেও শ’রীরের নিচের দিকে সামান্য অংশ ডিমের খোসার স’ঙ্গে লেগেছিল।

হ্যাচিং প্রক্রিয়ায় সামান্য হেরফের হওয়াতেই এমনটা হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে ইন্টারনেট ঘেঁটে সেই স’মস্যারও সমাধান করে ফে’লেন বেটসি।

ইনফেকশন এড়াতে তিনি পেপার টাওয়েলে খোসাটিকে আবৃত করে এন্টিসেপ্টিক লাগিয়ে দেন।একসময় বাচ্চাটি খোসা থেকে মুক্ত হলেও খুবই দু’র্বল ছিল।

তবে হাল ছাড়েননি বেটসি। মায়ের মমতায় নিয়মিত পানি খাওয়াতে থাকেন সেটিকে।বাচ্চাটিকে বহনের জন্য বিশেষ একটি ক্যারিয়ার বানিয়েছেন বেটসি। সবসময় সেটিকে স’ঙ্গেই রাখেন তিনি।

হাঁসের ছানাটি আরেকটু বড় হয়ে গেলে সেটিকে পরিচিত অ্যানিম্যাল রেস্কিউয়ারদের কাছে দিয়ে দেবেন বলে জানান বেটসি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here