স’হবাসের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দু’ধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা।

স’হবাসে কিছু শ’ক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়।অন্যথায় স’হবাস করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে-

একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও ক’ষ্টকর না হয়।

পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরু’ষ অচিরেই শ’ক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশ’ক্তি লোপ পায়।অত্যধিক মৈথুনের জন্য হজমশ’ক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রো’গ দেখা দেয়।

এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও ক’ষ্টকর না হয়।

পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরু’ষ অচিরেই শ’ক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশ’ক্তি লোপ পায়।অত্যধিক মৈথুনের জন্য হজমশ’ক্তি লোপ পায়।

ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রো’গ দেখা দেয়।অন্যথায় স’হবাস করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে-

একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও ক’ষ্টকর না হয়।

কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে রক্তাক্ত করলেন ইউপি মেম্বার

কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননীকে (৩৪) দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন ইউপি সদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের চৌগাছায়।

এ অভিযোগে আলী আহমেদ নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে চৌগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।

আলী আহাম্মেদ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের হোগলডাঙ্গা গ্রামের ইউপি সদস্য এবং গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে।

মোবাইল ফোনে ইউপি সদস্য আলী আহমেদ ওই নারীকে মেরে রক্তাক্ত করার কথা স্বীকার করে বলেছেন, তার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক।

সেখানে গিয়ে তার অনৈতিক কাজে রেগে গিয়ে ঘুষি মারলে হাতের আংটিতে কেটে গেছে।সোমবার রাত ৯টায় মারধরের পর গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে

মঙ্গলবার চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসা নিয়ে চৌগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী।

লিখিত অভিযোগে ওই নারী বলেছেন, আলী আহমেদ তার প্রতিবেশী। আনুমানিক ৩ বছর আগে তার স্বামী মালেশিয়া যায়।

তারপর থেকে আলী আহমেদ বিভিন্নভাবে তাকে কু-প্রস্তাব দিতেন। তাতে রাজি না হওয়ায় মেম্বার তার (ওই নারী) উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করে আসছিল।

পরে তিনি (ওই নারী) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করলে তারা স্থানীয়ভাবে মিমাংশা করে দেন।এরপরও আলী আহমেদ সংশোধন না হয়ে ওই নারীর সংসার ভেঙে দেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল।

এর জের ধরে গত সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে আলী আহমেদ তার আরো ২/৩ জন সঙ্গীসহ আমার বাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে আমাকে ধারালো

দা দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করতে গেলে সে কোপ আমার বাম চোয়ালে লেগে কেটে যায়। এসময় তার সাথে থাকা ব্যক্তিরা আমাকে এলোপাথাড়ি কিলঘুষি ও লাথি মারতে থাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here