রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়নের রুপসি পাঁচ মাথার মোড়ে আল্লাহ’র ৯৯ নাম দিয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন স্তম্ভ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে।

খুব অল্প সময়ে নিপুন হাতের কারুকার্যের কাজ সম্পন্ন হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উন্মোচন করা হবে। রুপসি পাঁচ মাথার মোড়ে ‘আল্লাহু চত্তর’ হিসেবে এটি পরিচিতি পাবে।

বর্গাকার স্তম্ভটির চার পাশে আল্লাহ’র গুনবাচন ৯৯ নাম আরবিতে ও বাংলা উচ্চারণসহ উপর থেকে নিচে লেখা হয়েছে। নিচে রয়েছে বর্গাকার বেদি যা আবার দুই স্তরের গোলাকার বেদি দিয়ে পরিবেষ্টিত।

মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান এর প্রচেষ্টায় আল্লাহু ভাস্কর্যের নির্মাণ কাজ চলছে।

উপরে পাঁচ ফিট থাকবে ‘আল্লাহু’ লেখা। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বলেন, গত বছরের আগস্টে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ।

ধর্মীয় ভাবাবেগ থেকে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। এখনো নির্মাণের কিছু কাজ বাকি রয়েছে।স্তম্ভটির সবার উপরে বড় করে ‘আল্লাহু’ লেখা থাকবে এবং ক্যালিগ্রাফি লেখাও থাকবে।

নান্দনিক লাইটিং সিস্টেমের সাথে অটোমেটিক সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে দিন রাত ২৪ ঘন্টায় এখানে মহান আল্লাহ তায়ালার ৯৯ টি নাম উচ্চারিত হবে।

বিদ্যুৎ সংযোগের পাশাপাশি আইপিএস সংযোগ থাকবে।তিনি আরও বলেন,আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এটির কারুকার্য সহ

নির্মাণ কাজ শেষ হলে স্থানীয় সাংসদ আশিকুর রহমানের সময় অনুযায়ী এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আলম মিয়া বলেন, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন দেখতে আসতেছে। পুরো কাজ শেষ হইলে আরও সুন্দর লাগবে।

তখন আরও লোক দেখতে আসবে। তবে ভাস্কর্যটির আশেপাশে কয়েকটি অবৈধ দখল থাকায় এটির সৌন্দর্য কিছুটা কমে যাবে বলে অভিযোগ করেন এলাকার ধর্মপ্রাণ অনেক মানুষ।

সি;জারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃ;ত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

সি;জারে বাচ্চা নেওয়ার – এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মে;ডিক্যা;লএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় ।

আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সি;জারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সি;জার কোন চিকিৎসক করবে ?

উত্তরে জানায় ,নরমাল ডেলিভা’রি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সি;জারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,

৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছু;রি , কা;চি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমা’দের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না !

অর্থের লো;ভে প্র;ত্যেক গ’;র্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সি;জারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় !

মৃ;ত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সি;জার করাতে হবে ।

আমা’র দেশে বর্তমান সি;জারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সি;জারে বাচ্চা নিতে গেলে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here