বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে খুব দ্রুত ভালোলাগার ভিডিওগুলি ভা’ইরাল হচ্ছে, পছন্দসই ভিডিওগুলি

মানুষ একটি মাত্র ক্লিকেই ছড়িয়ে দিচ্ছেন পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে অ’ন্তর্জালের মাধ্যমে।ফেসবুক বা যেকোনো সো’শ্যাল মিডিয়ায় প্রতিমূহুর্তেই অসংখ্য ভিডিও ভাইরাল হয়ে চলে,

যে ভিডিওগুলি নজর কাড়তে সমর্থ, আঙুলের এক ছোঁ’য়াতেই সেগুলি ছড়িয়ে পড়ে আ’রো মানুষের সামনে।

কখনো বাচ্চাদের ম’জার কান্ড কা’রখানা, কখনো বা পশুপাখিদের অদ্ভুত কিছু দৃশ্য, আবার কখনো বা অদ্ভুত প্র’তিভার নিদর্শন ভাইরাল হতে থাকে,

তার উপর বিয়ের শাড়ি গয়নার ভার। সব মিলিয়ে বেচারা স্বামীটি টাল সামলাতে না পেরে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। যা দেখে হাসিতে ফেটে পড়েন নেট নাগরিকরা।

আমি পিরামিডের ঐতিহ্য তুলে ধরতে চেয়েছি, অথচ আমাকে গ্রেপ্তার করা হলো : সালমা

বিশ্বে অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে যেগুলো দর্শনীয় স্থান হিসেবে মানুষ ভ্রমণ করতে যায় শুধু তাই নয় এসব দূর-দূরান্তে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এর সামনে গিয়ে

নিজেরাও ক্যামেরাবন্দি হতে ভুলে যান না ভ্রমণপিপাসুরা তেমনি মিশরের পিরামিডের সামনে কিওপেটরা সাজে ছবি তুলতে গিয়ে খ্যাতনামা মডেল

সালমা গ্রেপ্তার হয়েছেন পুলিশের কাছে। এই ঘটনার পর তার ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং রীতিমত অবাক বনে গেছে তার ভক্তরা

মিসরে পিরামিডের সামনে ক্লিওপেট্রার সাজে ছবি তোলায় খ্যাতনামা মডেল সালমা আল-শিমিকে গ্রেপ্তার করেছে মিসরীয় পুলিশ।

সেই সঙ্গে ফটোগ্রাফারকেও গ্রেপ্তার করা হয়। অবশ্য পরে তাঁরা জরিমানা দিয়ে ছাড়া পান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো গুরুত্বসহকারে এ খবর প্রচার করছে।

নভেম্বরের শেষেই মিসরের পিরামিডের সামনে এই ছবিগুলো তুলেছিলেন ওই ফটোগ্রাফার।প্রাচীন মিসরীয়র বেশেই ক্যামেরার সামনে পোজ দেন সালমা।

সেই ছবি আপলোড করেন নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে। অল্প সময়েই দাবানলের মতো তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

মিশরীয় প্রশাসনেরও নজরে পড়ে। এর পরই ফ্যাশন ফটোগ্রাফারকে পিরামিডের সম্মানহানির জন্য গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিন কায়রো শহরের বাইরে এক পিরামিডের সামনে স্বল্প পোশাকে ফটোশুট করছিলেন সালমা-আল-শাইমি । আর এই ছবি প্রকাশ্যে আসে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে,

তার পরেই নেটিজেনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ঘটনা হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই ওই মডেল এবং ফটোগ্রাফারকে গ্রেপ্তার করে মিসরীয় পুলিশ।

তাকে গ্রেপ্তারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ওই মডেলের ভক্তের সংখ্যা নেহাত কম নয়।

তাদের অনেকের কাছেই ঘটনাটি একেবারে অবিশ্বাস্য । প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় ছবি তোলার বিষয়ে আদৌ কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে কি না তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

অনেকেই আবার বলেছেন, শিমির ছবিগুলো /’অ’/শ্লী’/’ল’/ নয়- এ ধরনের পোশাকই প্রাচীন মিসরে ব্যবহার করা হতো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here