‘দিলবার’, ‘সাকি সাকি’, ‘গারমি’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় গানে কোমর দু’লিয়েছেন নোরা ফাতেহি। ইতোমধ্যে লাখ লাখ ভ’ক্তের মনে জায়গা করে নিয়েছেন এই মরোক্কান-কা’নাডিয়ান সুন্দরী।

সম্প্রতি এক সা’ক্ষাৎকারে তার নাচের রহস্য জা’নিয়েছেন নোরা। এই অ’ভিনেত্রী জানান, নাচের জন্য প্রা’তিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা নেননি। নাচ নিয়ে অনেক গ’বেষণা করেছেন।

নির্দিষ্ট কোনো ঘ’রানা ও সংস্কৃতির মধ্যে নিজেকে আ’বন্ধ রাখেননি। নি’জেই নাচ শি’খেছেন। আর শেখার সময় নাচে স’বসময়ই বৈ’চিত্র্য রাখার চেষ্টা ক’রেছেন তিনি।

নাচের ব্যাপারে শাকিরা, মাধুরী দীক্ষিত, রিয়ান্না, জে’নিফার লোপেজ, তু’র্কিস বেলি ড্যা’ন্সার দি’দেমকে অ’নুসরণ করেন নোরা। তা’দের অ’নুপ্রেরণা মনে ক’রেন তিনি।

বিশ্বে অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে যেগুলো দর্শনীয় স্থান হিসেবে মানুষ ভ্রমণ করতে যায় শুধু তাই নয় এসব দূর-দূরান্তে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এর সামনে গিয়ে

নিজেরাও ক্যামেরাবন্দি হতে ভুলে যান না ভ্রমণপিপাসুরা তেমনি মিশরের পিরামিডের সামনে কিওপেটরা সাজে ছবি তুলতে গিয়ে খ্যাতনামা মডেল

সালমা গ্রেপ্তার হয়েছেন পুলিশের কাছে। এই ঘটনার পর তার ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং রীতিমত অবাক বনে গেছে তার ভক্তরা

মিসরে পিরামিডের সামনে ক্লিওপেট্রার সাজে ছবি তোলায় খ্যাতনামা মডেল সালমা আল-শিমিকে গ্রেপ্তার করেছে মিসরীয় পুলিশ।

সেই সঙ্গে ফটোগ্রাফারকেও গ্রেপ্তার করা হয়। অবশ্য পরে তাঁরা জরিমানা দিয়ে ছাড়া পান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো গুরুত্বসহকারে এ খবর প্রচার করছে।

নভেম্বরের শেষেই মিসরের পিরামিডের সামনে এই ছবিগুলো তুলেছিলেন ওই ফটোগ্রাফার।প্রাচীন মিসরীয়র বেশেই ক্যামেরার সামনে পোজ দেন সালমা।

সেই ছবি আপলোড করেন নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে। অল্প সময়েই দাবানলের মতো তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

মিশরীয় প্রশাসনেরও নজরে পড়ে। এর পরই ফ্যাশন ফটোগ্রাফারকে পিরামিডের সম্মানহানির জন্য গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিন কায়রো শহরের বাইরে এক পিরামিডের সামনে স্বল্প পোশাকে ফটোশুট করছিলেন সালমা-আল-শাইমি । আর এই ছবি প্রকাশ্যে আসে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে,

তার পরেই নেটিজেনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ঘটনা হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই ওই মডেল এবং ফটোগ্রাফারকে গ্রেপ্তার করে মিসরীয় পুলিশ।

তাকে গ্রেপ্তারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ওই মডেলের ভক্তের সংখ্যা নেহাত কম নয়।

তাদের অনেকের কাছেই ঘটনাটি একেবারে অবিশ্বাস্য । প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় ছবি তোলার বিষয়ে আদৌ কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে কি না তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

অনেকেই আবার বলেছেন, শিমির ছবিগুলো /’অ’/শ্লী’/’ল’/ নয়- এ ধরনের পোশাকই প্রাচীন মিসরে ব্যবহার করা হতো।

কাজেই পিরামিডের প্রেক্ষাপটে এই পোশাককে একেবারে স্বাভাবিকই বলা যায়। মিসরে এর আগে এতটা রক্ষণশীলতা দেখা যায়নি বলেই দাবি করেছেন তারা।

একটি ছবিতে দেখা যায়, ছয়জন গর্ভবতীকে নিয়ে হাজির এক ধনকুবের। ক্যাপশনে লিখেছেন, ’সবার বাবাই আমি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here