স্বা’মী-স্ত্রী কমপক্ষে যে স্বা’মী সকালে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রী’কে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে রাখে তাঁর কর্মক্ষেত্রে বি’পদের আশংকা থাকে কম। — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বৌয়েরা ঘরের লক্ষ্মী হয়। এদেরকে যত বেশি ভালোবাসা দেওয়া হয়, তত বেশি সংসারে শান্তি আসে।— হুমায়ুন আহমেদ।

স্ত্রী’কে যথেষ্ট পরিমাণে সময় দিন, নাহলে যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্বাস করুন। সংসার আর যু’দ্ধক্ষেত্র মনে হবে না। — সুনীল গঙ্গপাধ্যায়।

সেই পু’রুষই কাপু’রুষ যে স্ত্রীর কাছে প্রে’মিক হতে পারেনি।— কাজী নজরুল ইসলাম। ৫.প্রতিদিন একবার স্ত্রী’কে ” আমি তোমাকে ভালোবাসি ” বললে মাথার সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়।— সত্যজিৎ রায়।

তাই প্রত্যেকটা স্বা’মীর উচিৎ তাঁর স’ন্তানের মাকে কোনোরকম ক’ষ্ট না দেয়া। — জীবনানন্দ দাশ।যু’দ্ধে বিজয়ী হলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না৷ প্রকৃত বিপ্লবী তো সেই যে স্ত্রীর মনের একমাত্র বীরপু’রুষ।

— চে গুয়েভারা। ১২• স্ত্রীর সাথে হাসি ঠাট্টা মজা করা স্বা’মীর কর্তব্য। — হযরত মোহাম্ম’দ (সঃ)স্বা’মী-স্ত্রী স’ম্পর্কে মহানবী (সাঃ) এর বানীঃ

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ গোটা দুনিয়াই সম্পদে পরিপূর্ণ। এর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হলো পূর্ণবতী স্ত্রী। (মু’সলিম)

হযরত আবু হুরাইয়া (রাঃ) বলেন, রাসুলে আকরাম (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তির চরিত্র ও আচরণ সবচাইতে উত্তম,

ঈমাদের দৃষ্টিতে সে-ই পূর্ণাঙ্গ মুমিন। তোমাদের মধ্যে সেই সব লোক উত্তম, যারা তাদের স্ত্রীদের কাছে উত্তম। তিরমিযী)

হযরত উম্মে সালামা (রাঃ) এর বর্ণনা মতে, রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ কোন স্ত্রী লোক যদি এমন অবস্থায় মা’রা যায় যে,

তার স্বা’মী তার উপর সন্তুষ্ট, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিরমিযী)হযরত আবু হুরাইয়া (রাঃ) এর বর্ণনা মনে,

রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ আমি যদি কোন ব্যক্তিকে অপর কোন ব্যক্তির সামনে সিজদা করার জন্য নির্দেশ দিতাম, তাহলে স্ত্রী’কে নির্দেশ দিতাম তার স্বা’মীকে সিজদা করার জন্য। (তিরমিযী)

হযরম মু’য়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) এর বর্ণনা মতে, রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ যখনই কোন না’রী তার স্বা’মীকে দুনিয়াতে ক’ষ্ট দিতে থাকে,

তখনই (জান্নাতের) আয়াতলোচনা হুরদের মধ্যে তার সম্ভাব্য স্ত্রী বলেঃ (হে অভাগিনী!) তুমি তাকে ক’ষ্ট দিওনা। আল্লাহ তোমায় ধ্বং’স করুক !

তিনি তোমার কাছে একজন মেহমান। অচিরেই তিনি তোমাকে ছেড়ে আমাদের কাছে চলে আসবেন। (তিরমিযী)

হযরত উসামা ইবনে যায়েদ বর্ণনা করেন, রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ আমার অনুপস্থিতে আমি পু’রুষদের জন্য মে’য়েদের চাইতে বেশী ক্ষ’তিকর ফিতনা (বিপর্যয়) আর রেখে যাইনি।

(বুখারী ও মু’সলিম)হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসুলে আকরাম (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ কোনো ব্যক্তি যদি তার বিছানায় স্বীয় স্ত্রী’কে ডাকে;

কিন্তু স্ত্রী তাতে সাড়া না দেয়ায় স্বা’মী তার উপর অসস্তুষ্ট হয়ে রাত কা’টায়, তাহলে ফেরেশতারা ভোর পর্যন্ত তার প্রতি অভিশাপ বর্ষণ করতে থাকে । (বুখারী ও মু’সলিম)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here