বিয়ে হচ্ছে মানুষের জীবনের অপরিহার্য একটি কাজ এবং প্রতিটি ধর্মেই এই বিয়ের কথা বেশ ভালোভাবেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সে কারণে মানুষ জীবনে চলার পথে কাউকে না কাউকে স’ঙ্গী হিসেবে বেছে নেয় এবং সংসার জীবনে গিয়ে তাদের স’ন্তান সন্ততি লালন পালন এবং

এভাবেই বাকি জীবন কে’টে যায় মানুষের তবে জাপানে বিয়ের প্রতি অনীহা চলে এসেছে মানুষের এবং সেখানে জ’ন্মহার কমে গেছে

তুলনামূ’লকভাবে অনেক যার ফলে জনসংখ্যা নিয়ে সেখানে বেশ ভালই একটা অভাব সৃষ্টি হয়েছে।এতে বলা হয়েছে,

তবে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্তও রাখা হয়েছে। যেমন- আর্থিক সাহায্য পেতে হলে নবদম্পতি দু’‌জনেরই ব’য়স ৪০ বছরের কম হতে হবে।

শুধু তাই নয়, দু’‌জনের মি’লিত আয় হতে হবে ৫.‌৪ মিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ৪৩ লাখ টাকার ও’পরে । এছাড়া নবদম্পতির দু’‌জনেরই

ব’য়স ৩৫ বছর হলে এবং মি’লিত আয় ৪.‌৮ মিলিয়ন বা ৩৮ লাখ টাকা হলে তাদের আর্থিক সহায়তা পাবেন ৩ লাখ ইয়েন।

২০১৫ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, জাপানে অবিবা’হিত পুরু’ষদের ২৯ দশমিক ‌১ শতাংশের ব’য়স ২৫ থেকে ৩৪ বছর।

এছাড়া ওই ব’য়সের মধ্যে অবিবা’হিত মে’য়েদের সংখ্যা ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ। আর বিয়ে না করায় দেশে কমে গিয়েছে জ’ন্মহারও।

যা স’রকারকে ভাবিয়ে তুলেছে। গত বছর দেশটিতে৮ লাখ ৬৫ হাজার শি’শুর জ’ন্ম হয়, যা এখন পর্যন্ত বছরে স’ন্তান জ’ন্ম’দানের দিক দিয়ে সর্বনিম্ন।

এবার জাপানি বিয়ে করলেই নবদম্পতিরা পাচ্ছে মো’টা অংকের টাকা মূ’লত জাপানে দিন দিন জ’ন্মহার কমে যাচ্ছে এবং

এটি মোটেও ভালো কোন দিক নয় সে ক্ষেত্রে স’রকার জ’ন্মহার বাড়াতে এই সি’দ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সাথে আরেকটি প্রবণতা তাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেটি হচ্ছে দেরিতে বিয়ে করা এবং

অনেকের মাঝে দেখা যায় বিয়ে করতে অনেক তাদের মধ্যে কর্মব্যস্ত এদেশের মানুষের এ ধরনের সি’দ্ধান্ত পরিবর্তন করতে স’রকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here