১.”যে স্বা’মী সকালে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রী’কে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে রাখে তাঁর কর্মক্ষেত্রে বি’পদের আশংকা থাকে কম— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

২.বৌয়েরা ঘরের লক্ষ্মী হয়। এদেরকে যত বেশি ভালোবাসা দেওয়া হয়, তত বেশি সংসারে শান্তি আসে। — হুমায়ুন আহমেদ।

৩. স্ত্রী’কে যথেষ্ট পরিমাণে সময় দিন, নাহলে যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্বাস করুন। সংসার আর যু’দ্ধক্ষেত্র মনে হবে না। সুনীল গঙ্গপাধ্যায়।

৪. সেই পুরু’ষই কাপুরু’ষ যে স্ত্রীর কাছে প্রে’মিক হতে পারেনি— কাজী নজরুল ইসলাম।৫.প্রতিদিন একবার স্ত্রী’কে ” আমি তোমাকে ভালোবাসি ” বললে মাথার সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়।

৮• মন ভালো রাখতে বৌকে ফেসবুক, ফোনবুক, নোটবুক সহ সব ধরণের একাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন।— মার্ক জুকারবার্গ।

৯• মেয়েদের মনে ভালোবাসা এবং অভিমান দুটোই থাকে বেশি। তাই অভিমানটাকে ভালোবাসার চেয়ে বড় করে দেখা যাবে না।

তাই স্বা’মীদের উচিৎ স্ত্রীর সব অভিমান ভালোবেসে ভাঙানো!— ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।১০• একটা শি’শুকে দুনিয়ার মুখ দেখাতে মা যে ক’ষ্ট সহ্য করে

তা বাবা সারাজীবন ভালোবেসেও শোধ করতে পারে না। তাই প্রত্যেকটা স্বা’মীর উচিৎ তাঁর স’ন্তানের মাকে কোনোরকম ক’ষ্ট না দেয়া— জীবনানন্দ দাশ।

১১• যু’দ্ধে বিজয়ী হলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না৷ প্রকৃত বিপ্লবী তো সেই যে স্ত্রীর মনের একমাত্র বীরপুরু’ষ।
— চে গুয়েভারা।

১২• স্ত্রীর সাথে হাসি ঠাট্টা মজা করা স্বা’মীর কর্তব্য।— প্রিয় নবী হযরত মোহাম্ম’দ (সঃ)১৩. আমাদের নবী’জী (সা:)প্রায়ই নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার পূর্বে মা

আয়শা (রা:) কে চু’ম্বন করে যেতেন lসুতরাং বাইরে বেরুনোর সময় স্ত্রী’কে চু’ম্বন করে বেরুলে নবীর সুন্নাতও আদায় হয়।না’রী হল মায়ের জাত তাদের সম্মান দিলে তাতে নিজের সম্মান বারে,, কমে না

পুরুষদের প্রথম চাহিদা কী থাকে ফাঁস করলেন যৌনকর্মী

যৌনকর্মী শব্দটির সাথে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। এই পেশায় কেউই মখে আসে না। কাউকে জোড় করে এই পেশায় আনা হয়। আবার কেউ চরম দারিদ্রতার শিকার হয়ে এই পেশায় আসতে বাধ্য হন।

যাইহোক এই পেশার মানুষদের কাছেও আসে আবার সমাজের বিশেষ একটা শ্রেণীর পুরুষরা।যৌনকর্মীদের কাছে এসে প্রথমেই পুরুষদের কী চাহিদা থাকে তা হয়ত অনেকেই জানেন না।

সেকথাই এবার জানালেন এক যৌনকর্মী।যৌনপল্লি থেকে বেরিয়ে আসা এক নারী নিজের সেই সব দিনের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন।

জানালেন কী ধরনের খদ্দেরের দেখা মিলেছিল।এক শনিবার রাতের ঘটনা। চামড়ার বুট পায়ে দাঁড়িয়েছিলেন ওই নারী যৌনকর্মী।

আচমকাই এক ব্যক্তি এসে তাঁর বুটটি চাটতে থাকেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মহিলার হাতে টাকা ধরিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যান ওই ব্যক্তি।

একবার এক ব্যক্তির সঙ্গে যে ঘরে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন ওই মহিলা, সেই ঘরে একটি ফুটো করে রেখেছিলেন ওই ব্যক্তি। যাতে বাইরে থেকে তাঁর বন্ধুরা অনায়াসে মিলনের সাক্ষী থাকতে পারেন।

ডিক কে নামের এক ব্যক্তি আবার একবার নিজের বিজনেস ট্রিপে ওই মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কখনওই তাঁর সঙ্গে সঙ্গম করেননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here