বর্তমান পরিস্থিতিতে ক’রোনা আ’তঙ্কিত ফিল্ম তারকা, ক্রীড়া তারকা, শিল্পী মহল ও রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ প্রত্যেকেই লকডাউনে গৃহব’ন্দি।

এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে মোনালিসা মানে ‘দুপুর ঠাকুরপো’ র ঝুমা বৌদির হট ডান্স!আজ গোটা দেশ জুড়ে দীর্ঘ লকডাউনে

সেলিব্রিটি থেকে আমজনতার প্রত্যেকেই ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট করে এমনকি রান্নাঘরে বিভিন্ন রেসিপি আবিস্কারে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছে।

তবে এই লকডাউনে শেয়ার করা ঝুমা বৌদি-র হট ডান্স ঠাকুরপোদের মন মাতিয়ে ও শ’রীরী শিহরণ জাগিয়ে তুলেছে। এবং সোশ্যাল মিডিয়ার হট সেনসেশনে পৌঁছেচে ।

ঝুমা বৌদির হট ডান্স:‘দুপুর ঠাকুরপো’ র জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঝুমা বৌদি, লাস্যময়ী, শ’রীর কাঁপানো নাচের ভ’ঙ্গিতে বহু যুবককে মাতিয়ে তোলে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক হট পোস্ট, নাচের ভিডিও শেয়ার করতে দেখা যায় ঝুমা বৌদিকে। এবং তা নিমেষেই ভাইরাল হয়ে উঠেছে –

কালোমনোকিনীতে ভিজে খোলা চুলে ও শ’রীরী আদ্রতায় মোনালিসার সুইমিং পুলের নাচ যুবককূলকে ঘায়েল করতে বা’ধ্য।

পুরুষদের প্রথম চাহিদা কী থাকে ফাঁস করলেন যৌনকর্মী

যৌনকর্মী শব্দটির সাথে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। এই পেশায় কেউই মখে আসে না। কাউকে জোড় করে এই পেশায় আনা হয়। আবার কেউ চরম দারিদ্রতার শিকার হয়ে এই পেশায় আসতে বাধ্য হন।

যাইহোক এই পেশার মানুষদের কাছেও আসে আবার সমাজের বিশেষ একটা শ্রেণীর পুরুষরা।যৌনকর্মীদের কাছে এসে প্রথমেই পুরুষদের কী চাহিদা থাকে তা হয়ত অনেকেই জানেন না।

সেকথাই এবার জানালেন এক যৌনকর্মী।যৌনপল্লি থেকে বেরিয়ে আসা এক নারী নিজের সেই সব দিনের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন।

জানালেন কী ধরনের খদ্দেরের দেখা মিলেছিল।এক শনিবার রাতের ঘটনা। চামড়ার বুট পায়ে দাঁড়িয়েছিলেন ওই নারী যৌনকর্মী।

আচমকাই এক ব্যক্তি এসে তাঁর বুটটি চাটতে থাকেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মহিলার হাতে টাকা ধরিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যান ওই ব্যক্তি।

একবার এক ব্যক্তির সঙ্গে যে ঘরে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন ওই মহিলা, সেই ঘরে একটি ফুটো করে রেখেছিলেন ওই ব্যক্তি। যাতে বাইরে থেকে তাঁর বন্ধুরা অনায়াসে মিলনের সাক্ষী থাকতে পারেন।

ডিক কে নামের এক ব্যক্তি আবার একবার নিজের বিজনেস ট্রিপে ওই মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কখনওই তাঁর সঙ্গে সঙ্গম করেননি।

এমনকী একই বিছানায় শুয়েও তাঁকে স্পর্শ করেননি। এমন ঘটনা বেশ অবাক করেছিল যৌনকর্মীকে।এমন বেশ কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল,

যাঁরা বলেছিলেন তাঁরা মহিলা হলে নিঃসন্দেহে দেহব্যবসাকেই বেছে নিতেন। যৌনকর্মীদের কাজ তাঁদের দারুণ পছন্দ ছিল।

জীবনে অনেক ভদ্রলোকের সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়েছিল তার। যারা কখনও তাকে কোনও কিছুর জন্য জোর করতেন না। সাবেক এই যৌনকর্মীর মতে,

এর দু’টি কারণ হতে পারে। বলছেন, “আমি এক ঘণ্টায় তাঁদের থেকে বেশি আয় করতাম বলে হয়তো তাঁরা আমায় সম্মান করতেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here