ভারতের রাজস্থানের সুরাটগড়ে দেশটির বায়ুসেনার একটি মিগ-২১ যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছে। মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষে টুইটে জানানো হয়, ওয়েস্টার্ন সেক্টরে ট্রেনিং চলাকালীন একটি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছে।

জানা গেছে, প্রশিক্ষণের জন্যই ওড়ানো হচ্ছিল যুদ্ধবিমানটি। কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
রমজান মাসে যেভাবে শারীরিক স’ম্পর্কে লি’প্ত হবেন

আল্লাহ তাআলা কিছু স্থান ও সময় ব্যতীত সব সময় ও সকল স্থানে স্ত্রী’ সহ’বাস হালাল করেছেন। মহান আল্লাহ পবিত্র রমজান মাসেও সহ’বাস হালাল করেছেন।

তাহলে রাতে এমন সময় সহ’বাস করবেন যাতে সেহরী খাওয়ার আগেই পূত:পবিত্র হতে পারেন।অর্থ: “সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রী’দের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে।

তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোম’রা তাদের জন্য পরিচ্ছদ। আল্লাহ জেনেছেন যে, তোম’রা নিজদের সাথে খিয়ানত করছিলে।

অ’তঃপর তিনি তোমাদের তাওবা কবূল করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। অ’তএব, এখন তোম’রা তাদের সাথে মিলিত হও এবং

আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা অনুসন্ধান কর।” (বাকারা : ১৮৭)আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে,

তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোযা রেখে স্ত্রী’কে চুম্বন করতেন; স্ত্রী’র সাথে মুবাশারা (আলি’ঙ্গন) করতেন।

এবং তিনি ছিলেন তাঁর যৌ’নাকাঙ্ক্ষাকে নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সক্ষম ব্যক্তি।ফরজ রোযা পালনকারী স্বামীর জন্য তার স্ত্রী’র সাথে এমন কিছু করা জায়েয হবে না;

যাতে করে তার বীর্যপাত হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সব মানুষ এক রকম নয়। কারো বীর্যপাত দ্রুত হয়ে যায়; আবার কারো ধীরে ধীরে হয় এবং

সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতা রাখে। যেমনটি আয়েশা (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স’ম্পর্কে বলেছেন যে,

তিনি ছিলেন স্বীয় যৌ’ন চাহিদা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সক্ষম ব্যক্তি।আবার কিছু লোক আছে যারা নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না; তার বীর্যপাত দ্রুত হয়ে যায়।

এমন ব্যক্তি ফরজ রোযা পালনকালে তার স্ত্রী’কে চুম্বন করা, আলি’ঙ্গন করা ইত্যাদির মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ হওয়া থেকে তাকে সাবধান থাকতে হবে।

আর যদি ব্যক্তি নিজের ব্যাপারে জানে যে, সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে তাহলে তার জন্য স্ত্রী’কে চুম্বন করা ও জড়িয়ে ধ’রা জায়েয আছে;

এমনকি ফরয রোযার মধ্যেও। তবে, সহ’বাসের ব্যাপারে অবশ্যই সাবধান হতে হবে। রমযান মাসে ফরজ রোযায় স্বজ্ঞানে যদি কেউ সহ’বাসে লিপ্ত হয়

তাহলে তার উপর কাফফারা অবধারিত হবে। আর এই কাফফারা সারা জীবনেও পূরণ করা কারো পক্ষে সম্ভব নহে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here