বেশির ভাগ নারী মি’লনপুর্ব সিঙারে সরাসরি মি’লনের ছেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকে। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন।

১. সিঙার: বেশির ভাগ নারী মি’লনপুর্ব সিঙারে সরাসরি মি’লনের ছেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকে। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন

২. কল্পনা / ফ্যান্টাসী: শা’ররীক মি’লনকালে অথবা অন্য সময় নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভুল নয়। সঙ্গীর উ’ত্তে’জক কর্মকান্ডের সাথে আপনার কল্পনা মিশিয়ে এক সুখকর আবেশে জ’ড়াতে পারেন।

কল্পনার রাজ্যে সব পুরুষ রাজা আর তার সঙ্গী রাণীর আসনে থাকে!৩. সরাসরি মি’লনে দেরী করা: নারী, বিশেষ করে তরুনীরা সাধারনত বেশি বেশি চুমা,

তাই নারীকে উ’ত্তে’জিত করার জন্য ভাইব্রেটর এর বিকল্প আপনার মধ্যমা আঙুলী দিয়ে তার ভিতর জি-
স্পট ( কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করতে পারেন।

তবে মনে রাখবেন কোন অভ্যাস যেন স্থায়ী না হয়ে যায়! মেয়েদের ডি’ম্বা’শয়ে ক্যা’ন্সার হবার কয়েকটি মা’রাত্মক লক্ষন যা

বেশিরভাগ মেয়েরাই অ’বহে’লা করে থাকেমেয়েদের ডি’ম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার সব থেকে সাং’ঘাতিক রো’গ গুলির মধ্যে একটি। এটা এমন এক কঠিন ব্যাধি

যা ডি’ম্বাশয়ে শুরু হয় এবং আস্তে আস্তে শরীরের সমস্ত অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। ক্যান্সার কোষগুলি মেয়েদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষ’মতাকে আস্তে আস্তে ভেঙে দেয়।

খিদে নষ্ঠ হয়ে যাওয়া থেকে কোমরে যন্ত্রণা এই সব কিছুই ডি’ম্বাশয়ে ক্যান্সা’রের লক্ষণ হতে পারে। বুকজ্বালা আপনি অ্যাসিডিটিতে ভুগলে বুকের পিছন দিকে জ্বালা করে। এর ফলে আপনার

অনেক সময় বমি ভাবও আসে, এর সাথে ডিম্বাশয়ে ক্যান্সারের সম্পর্ক খুবই বিরল, তবুও আপনি নিশ্চয়ই কোন সুযোগ নিতে চাইবেন না

যদি এরকম বার বার ঘটতে থাকে শ্রোণী ব্যথা যৌ’নসংসর্গের সময় যন্ত্র’ণা হওয়া খুব সাধারণ ব্যাপার, এটা বিভিন্ন কারণে হতে পারে

যৌ’নিতে নীরসতা, আঁটো ভাব, জ্বালা, স্বাস্থ্যবিধি না মানা ইত্যাদি। কিন্তু তলপে’টে য’ন্ত্রণাহলে সেটা ডি’ম্বাশয়ে ক্যা’ন্সারের শেষ পর্যায় হতে পারে।

অস্বাভাবিক পেট ফোলাডি’ম্বাশয়েতে ক্যা’ন্সারের ক্ষেত্রে এই লক্ষণটিকে নিঃশব্দ ঘা’তক বলা যেতে পারে। আমরা যে উপসর্গটিকে খুব ছোট বলে এড়িয়ে যাই তা হল দেহের মধ্যভাগ ফোলা।

এরকম হলে কখনও অবহেলা করবেন না (বিশেষ করে মধ্য বয়স্ক না হলে)এবং শীঘ্রই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন ক্লান্ত ঠিকমত না খেলে

মানুষ ক্লান্তিতে ভোগে আবার ডিম্বাশয়ে ক্যান্সারের ফলেও মানুষ ক্লান্তিতে ভোগে, তবে কারণ সম্পূর্ণ আলাদা। ক্লান্তিতে ভোগা মানেই ক্যান্সার হওয়া নয়।

ক্যান্সারের কোষগুলি বৃদ্ধি পেয়ে সচল হয়ে ওঠার ফলে ক্লান্তি দেখা যায় খিদে মরে যাওয়া।ক্যান্সার কোষগুলি দ্রুত বৃদ্ধি পেলে খুব

অল্প খাবার পরই মনে হয় পেট খুব ভরে গেছে আর পেটে জায়গা নেই। স্থূলতা অথবা ওজন হ্রাস খিদে পাওয়ার পরও খেতে ইচ্ছা না করলে সেটা থেকে ওজন হ্রাস হতে পারে বা স্থূলতা আস্তে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here