রাজবাড়ী জে’লা শহরের দারুল উলুম ভাজনচালা মাদরাসার হেফজখানায় অ’গ্নিকাণ্ডেের ঘ’টনা ঘটেছে।

আ’গুনে ওই মাদরাসার ব্যাপক ক্ষ’তি হলেও রক্ষা পেয়েছে ঘুমিয়ে থাকা ৪০ জন ছাত্র আর অক্ষ’ত রয়ে গেছে অর্ধশতাধিক কুরআন শরীফ।

শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে ওই হেফজখানায় আ’গুন লাগার ঘ’টনা ঘটে।আ’গুনে হেফজখানায় থাকা কিতাব, হাদীসের বই, শিক্ষার্থীদের পোশাক, লেপ, তোষকসহ দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় সব ভস্মিভূত হয়।

এছাড়া হেফজখানার সাথে গোডাউনে থাকা চাল, ডাল, লবণ পুড়ে যায়। তবে আ’গুনে কুরআন শরীফের কোনো ক্ষ’তি হয় নি।

তবে ঘর ও গোডাউনে থাকা সব পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার চুলা থেকে আ’গুনের সূত্রপাত হয়েছে।

আরো পড়ুন:যেভাবে পরিস্কার করা হয় মহান আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন সাফা-মারওয়া !

মহান আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন সাফা-মারওয়া। এ দুই পাহাড় মসজিদে হারামের নিকট অবস্থিত। সাফা ও মারওয়ার মধ্যবর্তী দূরত্ব ৩০০ মি. (৯৮০ ফুট)।

পবিত্র কাবা ও তার পবিত্র স্থানগুলোর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে হারামাইন শরিফাইনের পরিচালনা কমিটি।

এসব স্থানের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে তাদের আলাদা পরিকল্পনাও রয়েছে। আল আরাবিয়া উর্দু মসজিদে হারামের গালিচা পরিস্কারের ই’নচার্জ জাবের আল-ওয়াদানী বলেন,

সাফা ও মারওয়া পাহাড় পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ যত্ন নেয়া হয়৷ মসজিদে হারাম পরিস্কার করার জন্য ব্যবহৃত উপকরণ ও সরঞ্জামাদি সাফা-মারওয়া পাহাড় পরিস্কার করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

সাফা-মারওয়া যেভাবে পরিস্কার করা হয়তিনি বলেন, ঐতিহাসিক এই পাহাড় সাফা ও মারওয়া পরিস্কার করার জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিদিন পাহাড় এবং তার আশপাশ অত্যন্ত যত্নের সাথে পরিস্কার করে।

এদিকে হারামাইন শরিফাইনের জেনারেল প্রেসিডেন্সির ম’হামা’রি প্রতিরোধক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিভাগের পরিচালক হাসান আল-সুওয়াহিরি বলেন,

মসজিদে হারাম এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানগু’লিকে সবধরনের পোকামাকড় এবং অন্যান্য ক্ষ’তিকারক বস্তু থেকে রক্ষা করার জন্য অন্তত ২০টি টিম গঠন করা হয়েছে।

তারা মসজিদে হারাম এবং অন্যান্য জায়গাগু’লি পরিস্কার করার সাথে সাথে পোকামাকড়ও বিনাশ করে থাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here