চাঁদপুরের কচুয়ার করইশ গ্রামে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক গৃহবধূর ঝু’লন্ত লা’শ উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ।

তার নাম সীমা আক্তার (২১) তিনি নাছির উদ্দিনের স্ত্রী।এ ঘ’টনায় স্বা’মী ও ভাবি খালেদা আক্তারকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে।

সীমা আক্তারের মা বিলকিছ আক্তার বা’দী হয়ে কচুয়া থানায় একটি হ’ত্যা মা’মলা দা’য়ের করেছেন।
মা’মলা সূত্রে জানা গেছে,

করইশ গ্রামের ইলিয়াস মিয়ার ছেলে নাছির উদ্দিনের সাথে প্রায় দুই বছর পূর্বে সামাজিকভাবে সীমার বিয়ে হয়।

এ সময় সীমা প্র’তিবাদ জানালে তাকে শ্বা’সরো’ধে হ’ত্যা করে তারা।পরবর্তীতে তারা সীমা আক্তারে গ’লায় রশি দিয়ে নাছির উদ্দিনের বসত ঘরে আড়ার সাথে ঝু’লিয়ে রাখা হয়।

সীমা তিন মাসের অন্ত:সত্ত্বা ছিলেন।এ ঘ’টনার সত্যতা নিশ্চিত করে কচুয়ার থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্ম’দ মহিউদ্দিন জানান,

মা’মলার আ’সামি হিসেবে সীমা আক্তারের স্বা’মী নাছির উদ্দিন ও তার বড় ভাবি খালেদা আক্তারকে গ্রে’প্তার করে কোর্টে সোপর্দ করার মাধ্যমে জে’ল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ, বাবা গ্রেফতার

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় নিজের আট বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. ফারুক ব্যাপারী ভোলা (৫৫) নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক করে ঢাকায় শিশুটির

মায়ের সঙ্গে ফারুক ব্যাপারীর বিয়ে হয়। বিয়ের চার বছর পর তারা শরীয়তপুরে চলে যান। বিবাহিত জীবনে তাদের ১১ বছরের এক ছেলে ও আট বছরের এক মেয়ে আছে।

অভাবের সংসারের হাল ধরতে শিশুর মা ২০১৮ সালে সৌদি আরব যান। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে আছেন। সেই সুবাদে মো. ফারুক ব্যাপারী ছেলে ও

মেয়েদের নিয়ে শরীয়তপুর সদর উপজেলার নীলকান্দি এলাকার হারুন তালুকদারের ভাড়া বাসায় থাকেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে

মেয়েকে মোবাইল ফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এর আগেও তাকে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছ।

ঘটনা কাউকে না বলার জন্য মেয়েকে হুমকি দেন বাবা ফারুক ব্যাপারী। ১৫ ফেব্রুয়ারি শিশুটি তার খালাকে ঘটনা খুলে বলে।

পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি ওই শিশুকে নিয়ে খালা পালং মডেল থানায় এসে অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে।

ভিকটিমের খালা বলেন, ‘মেয়েটি ওর বাবার ভয়ে চুপ ছিল। আমার বাড়িতে আসলে বিষয়টি খুলে বলে। তাই মামলা করেছি। ফারুক তার সঙ্গে পৈশাচিক কাজ করেছে। তার ফাঁসি হওয়া উচিত।’

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ভিকটিমের খালার অভিযোগ এবং সার্বিক বিষয় যাচাই-বাছাই করে মামলা নিয়েছি।

বুধবার রাতে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ফারুক নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আর ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর ১৫০ শয্যার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here