মেয়েদের শ’রীর আক’র্ষণীয় করে তোলার জন্য তাদের যেমন সু’ন্দরী হওয়ার প্রয়োজন তেমনই শ’রীরের বিভিন্ন অ’ঙ্গের সুনিপুণ গঠন তাদের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলে।

শুধু সু’ন্দরী হলেই হয় না, সাথে কিছু গুনাবলিও থাকা দরকার। যেমন মেধাবী, সুন্দর হাতের কাজ ইত্যাদি।

যা তাদের ভবিষ্যতকে অনেক সুন্দর করে তোলে। এইসব কিছুর পিছনে সবচেয়ে গু’রুত্ব পূর্ণ যে জিনিসটি সেটি হল ভাগ্য।

একজন মেয়ের ভাগ্যবতী হওয়ার পিছনে শ’রীরের এই পাঁচটি অ’ঙ্গ খুবই গু’রুত্ব পূর্ণ। মহিলাদের শ’রীরের এই পাঁচটি অ’ঙ্গ বলে দেয় তারা কেমন ভাগ্যবতী। তাহলে আসুন জে’নে নি এই পাঁচটি অ’ঙ্গ কি কি –

ও ঘন চুল থাকে তবে তিনি শুধু সু’ন্দরীই নন তারা জীবনে চলার পথ সুন্দর করেন এবং সংসারে লক্ষ্মী বউ হয়ে থাকেন।

কান ঃ- যেসব মেয়েদের কান বড় ও লম্বা হয়, তাদের জন্য ভাগ্য দেবতা খবু অনুকূল হয়। তাদের আয়ু অনেক বেশি এবং তারা বাস্তব জীবনে খুবই ভাগ্যবতী হয়ে থাকেন।

হাত ঃ- কথায় আছে আ’ইনের হাত লম্বা হয়। তেমনই যেসব মহিলাদের হাত লম্বা ও কোমল হয় তারা নিজে’র জীবনে খুবই ভাগ্যবতী এবং সুখী হয়ে থাকেন।

পা ঃ- মেয়েদের পায়ের গঠন তাদের ভবিষ্যৎ ফুটিতে তোলে। এই পা যদি তুলনামুলক লম্বা এবং সুন্দর হয়ে থাকে

তবে তারা যে কাজেই হাত দেন না কেন সেই কাজেই সাফল্য পান। তারা অনেক বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ হয়ে থাকেন।

আব্বা আম্মা বলছিলেন, বউকে বেশি পড়াইলে উড়াল দিয়ে চলে যাবে: রাকিব –
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গায়ে হলুদ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি হয়েছে বিবাহোত্তর সংবর্ধ’নাও। এরই মধ্যে অভিযোগ উঠেছে আগের স্বা’মীকে তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন স্ত্রী তামিমা তাম্মি।

আজ শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রাইসা ইসলাম বাবুনি নামক এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে।

সেই পোস্টে তামিমার স্বা’মী রাকিবের পক্ষে দাবি করা হয়েছে, এখনও তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্প’র্ক রয়েছে। তাদের ঘরে রয়েছে ৮ বছর ব’য়সী একটি মে’য়ে স’ন্তানও।

রাকিব জানান, প্রেম করে বিয়ে করেছিলাম। সে আসলে আমাকে চা’প দিয়েই বিয়ে করেছিল। বলেছিল, তুমি বিয়ে কর নাহলে আমার আম্মা বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে।

প্রথমে আমরা টাঙ্গাইলে কোর্ট ম্যারেজ করেছিলাম। পরে আমরা বিয়ে করি বরিশালে। আমার বউকেই দুইবার বিয়ে করেছি।

এরপর সংসার শুরু করি। সংসার শুরুর পর যখন সে এএসসি পাস করে আমার কাছে আসল, দেখলাম তার রেজাল্ট ভালো।

তখন আব্বা-আম্মা বলছিল, বউকে বেশি পড়ানোর দরকার নাই। বেশি পড়াইলে বউ উড়াল দিয়ে চলে যাবে। আমি আব্বু-আম্মুর স’ঙ্গে ঝ’গড়া করলাম। শেষ পর্যন্ত তাদের কথাই সত্য হলো।

কন্যার জ’ন্মের ঘ’টনা উল্লেখ করে রাকিব বলেন, ‘আব্বা আমাকে বলছিল, তুমি যদি তাকে পড়াতে চাও তাহলে ঢাকা নিয়ে যাও।

আমি তাকে ঢাকায় নিয়ে আসলাম। একটা শো রুমে ম্যানেজারের চাকরি নিলাম। সাবলেট বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে লাগ’লাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here