কত কী যে ভাইরাল (Viral video) হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়! এমনই এক ভিডিও দেখে গা ঘিনঘিন করে উঠেছিল নেটিজেনদের।

আর সেই ভিডিওর দৌলতেই শেষ পর্যন্ত অ’পকর্ম করেও পার পেল না অ’ভিযুক্ত যুবক। থুতু দিয়ে রুটি (Roti) বানিয়ে বিতর্ক বাঁধিয়ে শেষ

পর্যন্ত পু’লিশের জালে পড়তে হল তাকে। ভারতীয় দ’ণ্ডবিধির তিনটি ধারায় তার বি’রুদ্ধে মা’মলা রুজু করা হয়েছে।

ঘ’টনা উত্তরপ্রদেশের মীরাটের। অ’ভিযুক্ত যুবকের নাম নৌশাদ। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি টুইটারে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ঠিক কী দেখা যাচ্ছে ভিডিওয়? মীরাটের অ্যারোমা হোটেলে একটি বিয়ের আসরে তন্দুরি রুটি বানানোর দায়িত্ব ছিল ওই যুবকের উপরে।

দেখা যায়, সে রুটি বেলার পরে তার উপরে থুতু দিয়ে তবে সেটা তাওয়ার ভিতরে দিচ্ছিল।এমন জঘন্য কাজ করতে দেখে বেজায় চটে যান নেটিজেনরা।

এমনিতেই এই কাজ চূড়ান্ত অস্বাস্থ্যকর ও ঘৃণ্য। তার উপরে ক’রোনাকালের নিরিখে এই অ’পরাধ অত্যন্ত গর্হিত বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ (Hindu Jagran Manch) ওই যুবকের বি’রুদ্ধে পু’লিশে

অভিযোগ দা’য়ের করেছিল। পরে পু’লিশ তাকে গ্রে’প্তারও করে। পু’লিশি জেরায় সে নিজের অ’পরাধ স্বীকার করেছে বলেও ওই প্রতিবেদনের দাবি।

আব্বা আম্মা বলছিলেন, বউকে বেশি পড়াইলে উড়াল দিয়ে চলে যাবে: রাকিব –
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গায়ে হলুদ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি হয়েছে বিবাহোত্তর সংবর্ধ’নাও। এরই মধ্যে অভিযোগ উঠেছে আগের স্বা’মীকে তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন স্ত্রী তামিমা তাম্মি।

আজ শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রাইসা ইসলাম বাবুনি নামক এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে।

সেই পোস্টে তামিমার স্বা’মী রাকিবের পক্ষে দাবি করা হয়েছে, এখনও তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্প’র্ক রয়েছে। তাদের ঘরে রয়েছে ৮ বছর ব’য়সী একটি মে’য়ে স’ন্তানও।

রাকিব জানান, প্রেম করে বিয়ে করেছিলাম। সে আসলে আমাকে চা’প দিয়েই বিয়ে করেছিল। বলেছিল, তুমি বিয়ে কর নাহলে আমার আম্মা বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে।

প্রথমে আমরা টাঙ্গাইলে কোর্ট ম্যারেজ করেছিলাম। পরে আমরা বিয়ে করি বরিশালে। আমার বউকেই দুইবার বিয়ে করেছি।

এরপর সংসার শুরু করি। সংসার শুরুর পর যখন সে এএসসি পাস করে আমার কাছে আসল, দেখলাম তার রেজাল্ট ভালো।

তখন আব্বা-আম্মা বলছিল, বউকে বেশি পড়ানোর দরকার নাই। বেশি পড়াইলে বউ উড়াল দিয়ে চলে যাবে। আমি আব্বু-আম্মুর স’ঙ্গে ঝ’গড়া করলাম। শেষ পর্যন্ত তাদের কথাই সত্য হলো।

কন্যার জ’ন্মের ঘ’টনা উল্লেখ করে রাকিব বলেন, ‘আব্বা আমাকে বলছিল, তুমি যদি তাকে পড়াতে চাও তাহলে ঢাকা নিয়ে যাও।

আমি তাকে ঢাকায় নিয়ে আসলাম। একটা শো রুমে ম্যানেজারের চাকরি নিলাম। সাবলেট বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে লাগ’লাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here