শা’রীরিক স’স্পর্কে লিপ্ত হওয়া কোনো নারীকে বাহ্যিকভাবে চেনার তেমন কোনো উপায় নেই।তবে আম’রা প্রায় সবাই জানি যে

প্রথম মি’লনে নারীদৈর হাইমেন বা স’তীচ্ছেদ হয়ে থাকে। এই স’তীচ্ছেদেরে বিষয়টি পরীক্ষা করেই বোঝা সম্ভব যে নারীটি পূর্বে কোনো শা’রীরিক স’স্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন কিনা।

তবে অনেক সময় এটি প্রাকৃতিকভাবেই মাঝে মাঝে ছিঁ’ড়ে যায়। ফলে কোনো নারীর পূর্বে থেকেই স’তীচ্ছেদ থাকা মানেই এই না যে তিনি অবশ্যই শা’রীরিক স’স্পর্কে লিপ্ত ছিলেন।

উল্লেখ্য কোনো না’রী একাধিক পুরুষের সাথে শা’রীরিক স’স্পর্কে লিপ্ত হয়েছে কি না এর কোনো নির্দিষ্ট ডাক্তারি পরীক্ষা নেই যদিনা ঘ’টনার মুহূ’র্তেই ডিএনএ পরীক্ষা না করা হয়ে থাকে।

দুই পা স’ম্পুর্ণ ছড়িয়ে দিয়ে ছোট একটি আয়না সামনে রেখে আপনি এ পর্দ’টি নিজেই দে’খতে পারেন যদিও চিকিৎ’সা বিজ্ঞান বলেছে এটি নিছক একটি আং’শিক আব’রণকারী পর্দা এমনকি অনেক নারী এ প’র্দা ছাড়াও জ’ন্ম গ্রহন করেন অথবা সাঁ’তার,

খে’লাধুলা সহ দৈনন্দিন কাজ ক’র্মের ফলে এটি ছিরে যায়, তারপরও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ অ’ঙ্গ এখনো না’রীর স্ব’তীত্বের প্রতিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়

– যা সম্পুর্ন ভি’ত্তিহীন। ভারত এবং জাপানসহ বিশ্বের অনেক দেশে স্ব’তীচ্ছদ পুনঃস্থাপন অ’স্ত্রপ্র’চার (প্লা’ষ্টিক সা’র্জারী) খুব জনপ্রিয়।

স্ব’তীচ্ছদের কাজঃ – বাচ্চা বয়সে মেয়েদের যৌ’নাঙ্গকে সং’ক্রামক রো’গ থেকে র’ক্ষা করা। – মা’সিক ঋ’জঃচক্র শুরু হবার পর র’ক্তের স্বা’ভাবিক ব’হিঃর্গমন নি’শ্চিত কর।।

স্ব’তীচ্ছদের প্রকারভেদ : ১. ছি’দ্রহীন স্ব’তীচ্ছদ: সাধারণত এই প্রকার স্ব’তীচ্ছদ সম্পুর্ন যৌ’ননালীকে ঢে’কে রাখে। এতে কোন প্রকার ছি’দ্র থাকেনা,

তাই ঋ’জঃচক্রের র’ক্ত বাহিরে আসেতে পারেনা। ছি’দ্রহীন স্ব’তীচ্ছদ হবার কারণ: ছি’দ্রহীন স্ব’তীচ্ছদ এটি সাধারনত কিশোরী বয়েসে পরিলক্ষিত হয়।

যাইহোক, নতুন জ’ন্মনেয়া মেয়ে শি’শুর শার’রীক পর্য’বেক্ষনের মাধ্যমে এই রো’গ নির্নয় করা যায়। এটা স্পষ্ট যে কিশোরীদের ছি’দ্রহীন স্ব’তীচ্ছদ একটি জ’ন্মগত রো’গ,

এবং ই’পিথিলিয়াল কো’ষের (খা’দ্যযন্ত্র/খাদ্যনালী তথা মুখ’গহ্বর থেকে পা’য়ু পথ পর্যন্ত রা’স্তার বা’হিরের ঝি’ল্লী) কার্যকারীতা ন’ষ্ট হবার কারনেও এ স’মস্যা দেখা দিতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here