মধুচন্দ্রিমার সময়টুকু সমুদ্র সৈকতে কা’টাবেন এমন পরিকল্পনায় গিয়েছিলেন কক্সবাজার। কিন্তু হানিমুন বাদ দিয়ে নবদম্পতি নামলেন সৈকতের আবর্জনা পরিষ্কারে।

কাজটি করলেন বিয়ের পোশাকে যেন মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে উদ্বুদ্ধ হয় মানুষ।

সদ্য বিয়ের পর সমুদ্রবিলাসে যাবার সি’দ্ধান্ত নেন মো. তারেক আজিজ ও জান্নাতুল বাকেয়া মিলি দম্পতি। স’ঙ্গে বিয়ের পোশাক।

তবে এ এক ভিন্ন বিলাস, যেখানে নিজেদের ভালোবাসা তারা ভাগ বাটোয়ারা করেন প্রকৃতির স’ঙ্গে। অন্য মানুষের ফে’লে যাওয়া আবর্জনা পরিষ্কারে নেমে পড়েন কক্সবাজারের সৈকতে।

গেলো ৩ আগস্ট বিয়ে হয় ২৮ বছর ব’য়সী তারেক ও ২০ বছর ব’য়সী মিলির। আর ৫ আগস্ট সমুদ্র সৈকতের পরিচ্ছন্নতা অ’ভিযানে নামেন তারা।

তারেক জানান, চারদিন ছিলাম। প্রতিদিনই বিচে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে সেখানে কর্তৃপক্ষের দেয়া নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফে’লেছি। আমরা চার পাঁচ বস্তা ময়লা সংগ্রহ করেছি৷

কাজের ফাঁকে ‘ক্লিন ওয়ার্ল্ড, গ্রিন ওয়ার্ল্ড’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে ছবি তোলেন তারেক ও মিলি। মূ’ল লক্ষ্য ছিল সচেতনতা তৈরি।

এই দম্পতি জানান, আমরা সবাইকে সচেতন করতে চেয়েছি। আমাদের চাওয়া পৃথিবীটা সুন্দর হোক, পরিষ্কার থাকুক।

৪৩ বছরে ৮ শতাধিক সিনেমা করেও এখন বেকার গাঙ্গুয়া
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা। পর্দায় তার উপস্থিতি ভ’য়ংকর মানুষ হিসেবে। মন্দ সব কাজকর্ম করে বেড়ান।

শেষ দৃশ্যে নায়কের হাতে মার খেয়ে করুণ পরিণতি বরণ করেন। তিনি অভিনেতা গাঙ্গুয়া। ভরাট গ’লায় খল চরিত্রে গাঙ্গুয়া অনবদ্য এক অভিনেতার নাম।

সিনেমায় তার শুরুটা মা’রপিট দিয়ে। নাম ছিল পারভেজ চৌধুরী। এরপর আসেন অভিনয়ে। একসময় ফাইট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেন।

প্রয়াত অভিনেতা জসিম তার নাম দেন গাঙ্গুয়া। সেই নামেই খ্যাতি পান। ৪৩ বছরের ক্যারিয়ারে অভিনয় করেছেন আট শতাধিক সিনেমায়।

আজ সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) এফডিসিতে এসেছিলেন এই অভিনেতা। ফিল্ম ক্লাবের সদস্য তিনি। ভোট দিলেন। ভোট দেয়া শেষে সাংবাদিকদের স’ঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন।

গাঙ্গুয়া বলেন, ‘এখন বেকার জীবন পার করছেন। কেউ ডাকে না এখন সিনেমার জন্য। সংসার চালাতে এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্টেজ শো করে দিন পার করছেন।’

গাঙ্গুয়া আরও বলেন, ‘৪৩ বছর ধরে সিনেমার স’ঙ্গে আছি। অভিনয় করেছি আট শতাধিক সিনেমায়। উল্লেখযোগ্য ছবি হচ্ছে- মা’স্তান রাজা,

কালিয়া, প্রেম গীত, নূরা পাগ’লা, জ্যান্ত কবর, ক্ষুধার জ্বা’লা, লাল বাদশা, ইঞ্চি ইঞ্চি প্রেম, তোকে ভালোবাসতেই হবেসহ অসংখ্য ছবি।

এখন আর সিনেমার সেসব দিন নেই। একযুগ ধরে শুধু প্রেমের ছবি বানানো হচ্ছে। ফ্যামিলি ড্রামার ছবি কমে গেছে।

আগে ফ্যামিলি ড্রামার ছবি হতো। সেগুলোতে মানুষ নিজেদের খুঁজে পেত। কিন্তু একঘেয়েমি আসছে প্রেমের ছবিতে। তাই মানুষ ছবি দেখছে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here