বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বর্তমান স্ত্রী তামিমা এর বিভিন্ন অজানা ত’থ্য উঠে এসেছে এবার বিভিন্ন গণমাধ্যম

এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মো’টামুটি বেশ কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে টক অফ দা টাউন হিসেবে এই নাসিরের বিয়ে কান্ড নিয়ে

আলোচনা-সমালোচনা চলছে সর্বত্রই। প্রথমবারের মতো বিয়ে করেছেন নাসির হোসেন তবে এটি তার প্রথম বিয়ে হলেও তার নব বিবা’হিতা স্ত্রী তামিম আর প্রথম বিয়ে নয় এর আগেও তার একাধিক বিয়ে হয়েছে

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে (১৪ ফেব্রুয়ারি) জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন। স্ত্রী তামিমা তাম্মির স’ঙ্গে তার আকদ ও

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেকটা নীরবেই প্রিয়তমার সাথে গাঁটছড়া বাঁধলেও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের গায়ে হলুদসহ অন্য অনুষ্ঠানগুলোতে বসে অতিথিদের মেলা। সেসব অনুষ্ঠানে সবাইকে মাতিয়ে রেখেছেন নাসির ও তামিমা।

রাকিব নামে এক ব্যক্তি তামিমা তাম্মিকে তার স্ত্রী দাবি করায় বিয়ে নিয়ে বির্তক এখন তুঙ্গে। তবে নাসির ও তামিমা এখনো এ বি’ষয়ে মুখ খুলেননি।

অতীতে ক্রিকেটার নাসির হোসেন এর নামের সাথে জড়িয়েছে নানান ধরনের বিতর্ক বিশেষ করে তার সাবেক প্রে’মিকা হুমায়রা সুবা

যখন লাইভে এসে এসকল ঘ’টনাগুলো বলেছিল তখন আসল ঘ’টনা সামনে চলে আসে এবং নাসিরের স্বভাব চরিত্রের

কথা প্রকাশ পায় গণমাধ্যমগুলোতে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে

মন্ত্রী দিয়ে ফোন করাবেন না, কারো প্রভাবে কাজ হবে না: হাইকোর্ট
নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস (পিএলএফএস) লিমিটেডের ঋ’ণগ্রহীতাদের সতর্ক করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আ’দালত বলেছেন, আপনারা পিপলস লিজিং থেকে টাকা নিয়েছেন। টাকা নিয়ে আপনারা বসে আছেন। এই টাকা চোর বাটপারদের টাকা না।

এটা জনগণের টাকা। আর যারা টাকা রেখেছে সেই সব সাধারণ মানুষ রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। আগে টাকা দিন।

প্রতিষ্ঠানটিকে বাচাঁতে হবে। আগে টাকা দিবেন তারপর আলোচনা, দরকষাকষি। টাকা না দিলে জে’লে যেতে হবে।

আরেফীন শামসুল আলামীন নামের একজন ঋ’ণগ্রহীতা আ’দালতে বলেন, আমার জন্য একশ ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।

কিন্তু পিপলস লিজিং আমার কাছে ৩৮৪ কোটি টাকা দাবি করছে। আমি প্রতিমাসে ২০ লাখ টাকা কিস্তি দিতাম। গত ২৪ মাস কোনো কিস্তি দেইনা।

এসময় আ’দালত এই ব্যবসায়ীর আত্মীয়স্বজনের পরিচয় তুলে ধরে বলেন, মন্ত্রী দিয়ে ফোন করাবেন না। মন্ত্রী বা কারো প্রভাবে কাজ হবে না।

আইনের মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে। আপনারা আইনের মধ্যে পড়ে গেছেন। আগামী তারিখের আগেই একটা কিস্তির টাকা দিয়ে আসুন।

এরপর কথা বলুন। আ’দালত বলেন, আপনাদের প্রথম দায়িত্ব টাকা দেওয়া। এরপর কে কত টাকা কবে কিভাবে দেবে সে ব্যাপারে আলোচনা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here