বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। 4 বর্ণাঢ্য বিনোদন জগতের যে ক্যারিয়ার তাতে তিনি অসংখ্য নাটক

সিনেমায় অভিনয় করেছেন এবং তার অনবদ্য অভিনয় দর্শকদেরকে মুগ্ধ করে দিয়েছে তিনি সাবলীলভাবেই সর্বদা অভিনয় করে গেছেন এবং

বিভিন্ন সময় মানুষ থাকে বিভিন্ন চরিত্রের দেখতে পেয়েছে কখনো তিনি হাস্যরসাত্মক চরিত্রে অভিনয় করেছেন আবার কখনোবা দেখা গেছে

নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করতে কখনো আবার ইতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি তবে যেখানে তিনি অভিনয় করেছেন সেখানে রেখেছেন নৈপুন্যতা

দর্শকদের দিয়েছেন ভিন্ন স্বাদের বিনোদন। চলচ্চিত্রে গ্রাম্য বদ মাতব্বর, নানা ধরনের দুষ্ট লোক কিংবা গতানুগতিকের চেয়ে অন্য ধারার কমেডি

চরিত্রে অভিনয় করে তিনি পেয়েছেন আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা। মুক্তিযু’দ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ওরা ১১ জন, গেরিলাসহ এ যাবৎ ৩০০ শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

শুধু রূপালী পর্দায় নয় বাস্তব জীবনেও তিনি প্রগতিশীল ও মুক্তিযু’দ্ধের আদর্শের অনুসারী ছিলেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মি’লনায়তনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ’সা’ম্প্রদায়িক স্বৈ’রাচারের বি’রুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’

শীর্ষক এক আলোচনায় তিনি স্বাধীনতাবি’রোধী জামায়াতে ইসলামিকে জুতা চোর বলেছিলেন। সেসময় তার এই মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

এ টি এম বলেন, ’মন্দির, প্যাগোডা, গীর্জায় কখনো জুতা চু’রি হয় না। মসজিদ থেকে জুতা চু’রি হয়। এই জুতা চোরেরা হলো জামায়াত।

কাজেই তাদের ভালোভাবে নির্মূ’ল করতে হবে। জুতা চু’রি ঠে’কাতে কাঠের আলমারী রাখা হয়, অথবা সামনে রেখে নামাজ পড়তে হয়। ঠিক এই ভাবে এদের প্রতিরোধ করতে হবে।

আলোচনায় দশম জাতীয় সং’সদকে খেজুরের রস আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ১০ম জাতীয় নির্বাচন খেজুরের রসের মতো।

তাই একে খুব ভালো করে জ্বাল দিয়ে খেতে হবে, না হলে মানুষ মা’রা যাবে। কারণ এই রসে নিপা ভাই’রাস থাকতে পারে। আর নিপা ভাই’রাস হলো জামায়াত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধ’ন্যবাদ দিয়ে এ টি এম শামসুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর কথা রেখেছেন। তিনি বলেছিলেন,

এই স’রকারের অধীনে নির্বাচন হবে, নির্বাচন হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের তা’ণ্ডবের মাঝেও ৪০ থেকে ৪২ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন।

অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশ বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। তিনি দীর্ঘদিন থেকেই নানান অ’সুস্থতায় ভুগছিলেন এবং ইতিপূর্বে

কয়েকবার তাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় এবং পরবর্তীতে তার অবস্থার উন্নতি হলে আবার তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া

হয় তবে এবার আর শেষ রক্ষা পেলেন না এটিএম শামসুজ্জামান। তারেই না ফেরার দেশে চলে যাওয়াতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি সহ অনেকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here