প্রেম ভালোবাসা আসলেই বড় অদ্ভুত জিনিস স্বাদ-আহ্লাদ সবারই থাকে জীবনে এবং প্রেম ভালোবাসা সবার জীবনেই আসে তবে প্রেমের সম্প’র্কে

কে কতটা সুন্দর বা কে কোন বংশের সেটা দেখার সময় থাকেনা ভালো লাগাটাই সব থেকে মুখ্য বি’ষয় হয়ে দাঁড়িয়ে যায় এবং প্রেমের সম্প’র্কে

পারিবারিক সহ পারিপার্শ্বিক বা’ধা-বিপত্তি সবকিছুকেই তখন তুচ্ছ মনে হয় তবে এই বা’ধা কাটিয়ে যারা নিজের স’ঙ্গীকে আপন করে নিতে পারে তারাই পরবর্তী জীবনে সফলকাম হয়

সাধ-আহ্লাদ সবই আছে। আছে প্রবল ভালোবাসার অনুভূতি। ঘরবাঁ’ধার স্বপ্নও দেখেন তারা। কিন্তু প্রকৃতির খেয়ালে তাদের রয়েছে সীমাবদ্ধতা।

এই বন্ধুকে ভালোবাসার বন্ধ’নে বেঁ’ধে রাখতে চান তারা। এমনি একটি ঘ’টনা একটি গণমাধ্যম তুলে ধরেছেন-

’প্রতিটা উপলক্ষই আমাদের পরম পাওয়া। আমরা নিজেদের মতো উদযাপন করি।’ আর এই ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে আমার তাকে এটাই

দেয়ার বলতে বলতে আপনের কপালে চু’ম্বন একে দেন আশিক। আপন ঢাকার একটি এলাকার হি’জ’ড়া’দে’র নেতা। তার স’ঙ্গে ব্যবসায়ী আশিক আব্বাসের প্রেমের সম্প’র্ক প্রায় ১৩ বছর ধরে।

আপন জানান, ’আমাদের এখানকার মানুষ যেটা পায় না, সেটা আমি ওর কাছ থেকে পেয়েছি। এবং তার বিনিময়ে যে কোনও স্বার্থ থাকতে পারে,

তাও আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি।’ আশিক ও আপন দুজনের প্রথম দেখা পথের ধারে। প্রথম থেকেই আপনের প্রতি দু’র্বলতা তৈরি হয় ব্যবসায়ী আশিকের।

সেই অ’ভিজ্ঞতা তুলে ধরে আশিক জানান, ’আমি দেখলাম দু’জন মানুষ আসতেছে। দুইটা মানুষ বলতে তারা, আমি দুর থেকে বুঝতে পারলাম যে,

এরকম হি’জ’ড়া যে বলে যাদেরকে, এরকম কেউ আসতেছে। কোনও না’রীও না কোনও পুরু’ষও না, এরকমটা মনে হলো দূর থেকে আরকি।’

তিনি আরও জানান, ’সামনে আসার পর আমি কেন জানি, ওই ভাপা পিঠাটা খাচ্ছি যে ওইভাবে ভেঙ্গে ধরা ভাপা পিঠার একটি টুকরো। উনি আমার সামনাসামনি আসার

পরে আমি ভাপা পিঠার টুকরোটা ভে’ঙে আমি উনার মুখের সামনে ধরলাম। উনি হা করে নিয়ে নিলেন। আমি নিজেও কিছু সময়ের জন্য হতভম্ব হয়ে গেলেও

আমার কাছে জিনিসটা ফিলিংসই মনে হলো। খুব ভালো লাগলো। আমার অন্তরে জানি কেমন লাগলো।’ এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। শুরুর দিকে ওই সম্প’র্ক নিয়ে দোটানা ছিল দু’জনের মধ্যেই।

’এদের সম্প’র্কে তো আমার কোনো ধরণের অ’ভিজ্ঞতা ছিল না। তো হি’জ’ড়া’রা কেমন হয়, সে বি’ষয়ে আ’তঙ্ক ছিল আমার মধ্যে।’ কথাগুলো বলছিলেন আশিক।

এসময় আপন বলে উঠেন, ’ভিতর ভিতর ভ’য় পাচ্ছিলাম আমিও। যে এত সুন্দর হি’জ’ড়া থাকতে, আমি তো দেখতে এতটা ভালো ছিলাম না।

তো আমি তো, এত সুন্দর একটা ছেলে, ওর শিক্ষাগত যোগ্যতা ভালো, ও ভালো একটা ফ্যামিলির ছেলে, তো ও কেন আমার পিছনে।’

পরে আশিক আব্বাসের পরিবারের সদস্যদের সাথে আপনের পরিচয় হয়। এরপর পারিবারিকভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানও করেন তারা। এর কিছুদিন পর আইনিভাবেও তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here