শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় লেখা পড়া বিঘ্নিত হচ্ছে, এ বি’ষয়ও স’রকারকে ভাবতে হচ্ছে। আবার একজন শিক্ষার্থীর জীবন নিয়েও স’রকারকে গভীরভাবে ভাবতে হচ্ছে। কারণ,

এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়, ক’রোনা সং’ক্র’মণের ঝুঁ’কির মধ্যেই রয়েছে দেশ। এখন হয়তো অনেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু খুলে দেওয়ার পর শিক্ষার্থীরা আ’ক্রান্ত হলে তখন স’রকারের ও’পরই দায় দেওয়া হবে।

ক্ষ’মতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে, ক’রোনার প্রাদুর্ভাব অনেকটাই কমে এসেছে, ধারণা করা হচ্ছে আগামী কিছু দিনের মধ্যে আরও কমে আসবে। সামনে রোজার মাস আসছে। এই সময়ে এমনিতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তাই এই মুহূর্তে না খুলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হলে ঈদের পর চিন্তা-ভাবনা করা যেতে পারে।

এ বি’ষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, ক’রোনার সং’ক্র’মণ কমে এলেও এখনও ঝুঁ’কি রয়েছে। কোনো কোনো দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর শিক্ষার্থীরা আ’ক্রান্ত হলে আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তবে যেহেতু পরিস্থিতি উন্নতির দিকে, সং’ক্র’মণ কমে আসছে তাই আগামী ঈদ পর্যন্ত দেখে সি’দ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। শুনেছি স’রকারও এ রকম ভাবছে।

এদিকে স’রকার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে স’রকার। তবে এই মুহূর্তেই খুলে দেওয়া ঝুঁ’কিপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

এখনও ক’রোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে আসেনি। কোনো কোনো দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর শিক্ষার্থীরা আ’ক্রান্ত হয়ে পড়ে। বা’ধ্য হয়ে ওই সব দেশ পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে স’রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সি’দ্ধান্তের আগে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করছে।

বিশ্বজুড়ে ম’হামা’রি ক’রোনা ভাই’রাসের সং’ক্র’মণের কারণে গত বছর মার্চ থেকে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। গত বছর ৮ মার্চ বাাংলাদেশে প্রথম ক’রোনা ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত রো’গী শনাক্ত হয়।

এরপর সং’ক্র’মণ বাড়তে থাকলে ১৭ মার্চ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে ক’রোনার সং’ক্র’মণ কমতে শুরু করলেও পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই কোনো কোনো দিক থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার তাগিদ আসছে, দাবিও তোলা হচ্ছে। পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে আন্দোলনেও নেমে পড়েছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরীক্ষা কার্যক্রম স্থগিতের প্র’তিবাদে বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগে বি’ক্ষো’ভ করেন বিভিন্ন স’রকারি কলেজের স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা।

বি’ক্ষো’ভ সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা তিন দিনের আলটিমেটামও দিয়েছেন। স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচিও পালিত হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here