বাবার সাথে মাছ ধরতে নদীতে গিয়েছিল ছে’লে। সেখানে পিতার সামনেই ছে’লেকে গিলে খেয়ে ফে’লে বিশাল এক কুমির। একদিন পর কুমিরটিকে মৃ’ত অবস্থায় ভাসতে দেখা যায়। স্থানীয় মানুষজন তখন এই প্রা’ণীটির পেট কাটে সেই ছে’লের সন্ধানে।

পেটে আস্ত অবস্থাতেই ছে’লেটির মৃ’তদে’হ পাওয়া যায়। গত বুধবার এমন দুর্ভাগ্যজনক ঘ’টনা ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব কালিমা’স্তানে, খবর ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা সানের।

মাত্র আট বছর ব’য়সী ছে’লেটির নাম দিমান মুলকান সাপুত্রা। কুমির তাকে খাওয়ার পর দিমাসের পিতা সুবলিয়ানসিয়ার দিমাসের পিতা সুবলিয়ানসিয়ার চি’ৎকারে ছুটে যায় অন্যরা।

কিন্তু না, কোথাও কোনো সন্ধান নেই কুমিরের। এর একদিন পরে বৃহস্পতিবার কুমিরটির সন্ধান পাওয়া যায় পাশের গ্রাম মুয়ারা বেঙ্গোলোন গ্রামে। তার পেটে তখন দিমাসের আস্ত দে’হ। মা’রা গেছে কুমিরটি।

এতে দেখা যায়, দিমাসকে না চিবিয়েই আস্ত গিলে ফে’লেছে কুমির। তার অক্ষ’ত দে’হ উ’দ্ধার করা হয় কুমিরের পেট থেকে। তা দেখে স্থানীয়রা কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়েন।

চুমু খেতে গিয়ে হাত পা কাঁপে পূজা ভট্টের, বাবা মহেশ ভট্টের পরামর্শে সফল হন অভিনেত্রী

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ’ত‍্যুর পর যেসব তারকারা চর্চায় উঠে এসেছিলেন তাদের মধ‍্যে অন‍্যতম বর্ষীয়ান পরিচালক মহেশ ভাট (mahesh bhatt)। দীর্ঘদিনের বলিউড কেরিয়ারে বহুবার বহু বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছেন পরিচালক। অন‍্য রকমের চিন্তাধারার জন‍্য পরিচিত মহেশ নিজের কিছু মন্তব‍্যের জন‍্য সমালোচনার মুখেও পড়েছেন বেশ কয়েকবার।

তবে তাঁর একটি মন্তব‍্য চিরদিনই নতুন করে বিতর্ক উস্কে দেয়। নিজের মে’য়ে পূজা ভাটকে (pooja bhatt) বিয়ে করার ই’চ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। আশির দশকে ফিল্মফেয়ার ম‍্যাগাজিন প্রকাশ হতেই সবার চোখ কপালে উঠেছিল।

ম‍্যাগাজিনের কভারের ছবিটি ছিল মহেশ ভাট ও তাঁর মে’য়ে পূজা ভাটের। ছবিতে দেখা গিয়েছিল, পূজাকে কোলে বসিয়ে তাঁকে চু’ম্বন করছেন মহেশ। সেই স’ঙ্গে একটি লাইনও লেখা ছিল, ‘

যদি পূজা আমার মে’য়ে না হত ওকে আমি বিয়ে করতাম’। তারপর এই ঘ’টনায় অনেকেই বিমুখ হয়েছিলেন মহেশ ভাটের চরিত্রের ও’পর। তাঁকে অনেকেই পছন্দ করেননা। যদিও পূজা তাঁর প্রথমপক্ষের মে’য়ে, আর দ্বিতীয়পক্ষের মে’য়ে আলিয়া।

যাই হোক, আজ আমরা আলোচনা করব অভিনেত্রী পূজা ভাট কে নিয়ে। ভাট পরিবারে জ’ন্মগ্রহণকারী পূজা ভারতীয় চলচ্চিত্রনির্মাতা মহেশ ভাট এবং কিরণ ভাটের কন্যা।

১৯৮৯ সালে পিতা মহেশ ভাটের ড্যাডি টেলিভিশন চলচ্চিত্রে পূজা চরিত্রে উপস্থিতির মাধ্যমে অভিনয়ে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। বলিউডের এক একটি সুপারস্টারের স’ঙ্গে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি।

কিন্তু জানেন কি! মাত্র ১৮ বছর ব’য়সে যখন তিনি প্রথম পর্দার সামনে অভিনয় করে, সেখানেই বাবা মহেশ ভাটের সামনেই এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন তিনি। দৃশ্যটি ছিল ঘরভর্তি ইউনিটের সবার সামনে একটি চুমু খাওয়ার দৃশ্য, যেটা করতে গিয়ে নায়িকা রীতিমতো ভ’য় পেয়েছিলেন।

আসলে তখন সদ্য অভিনয় জগতে পা রেখেছেন পূজা, প্রথম ছবি, সেট রেডি, স’ঙ্গে নায়কও তৈরী, চুমু খেতে হবে সঞ্জয় দত্তকে। হাত পা কাঁপছে পূজার। কী ভাবে চুমু খাবেন তিনি? সাহায্য করলেন নিজের বাবা-ই।

মহেশ ভট্ট তাঁকে এক পাশে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন, ‘‘পূজা, যদি তুমি গোটা বি’ষয়টাকে খুব অ’শ্লীল ভাবো, তা হলে অ’শ্লীল ভাবেই প্রতিফলিত হবে তোমার সামনে দৃশ্যটি। তোমার সারল্যকেই ব্যবহার করেই চুমু খেতে হবে তোমায়।

’’ পূজা সেই কাজই করল, এবং সফল হল। তবে মহেশের মতে, চু’ম্বন দৃশ্যে অথবা আদরের দৃশ্যে অনেকটা সারল্যের প্রয়োজন। যা প্রকাশ করতে পারলে দর্শকের মধ্যেও সেটাই সঞ্চারিত হবে।

১৯৯১ সালের সেই ছবির দ্বিতীয় ভাগ মুক্তি পায়। ‘সড়ক ২’-এর সূত্রে পূজা ফের পর্দার সামনে ফেরেন। যেখানে সঞ্জয় দত্ত, আলিয়া ভট্ট ও আদিত্য রয় কপূরও অভিনয় করেছিলেন। পরিচালনায় ছিলেন মহেশ ভট্ট।

আজ ‘বম্বে বেগম’-এ যে অভিনেত্রীর মনে এক ঘর আত্মবিশ্বাস, ‘সড়ক’-এর সময়ে তা ছিল না। নেটফ্লিক্সের ওয়েবসিরিজ ‘বম্বে বেগম’ মুক্তি পাওয়ার পরে প্রথম ছবির কথাই মনে পড়ছে অভিনেত্রী পূজা ভট্টের। সেই সব কথাই জানালেন মুম্বইয়ের এক সংবাদমাধ্যমকে পূজা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here