চাঁদপুরের কচুয়ায় একটি কওমী মাদ্রাসার হেফজখানার ১৩ বছরের ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক ওমর ফারুককে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ।

এ ঘ’টনায় মা’মলা দা’য়ের পর বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) তাকে আ’দালতের মাধ্যমে কা’রাগারে পাঠানো হয়। এদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষক ওমর ফারুককে ব’হিষ্কার করেছে।

জানা যায়, উপজে’লার গোহট উত্তর ইউনিয়নের ওই মাদ্রাসায় ওই ছাত্রকে শিক্ষক ওমর ফারুক ধ-র্ষণ করে। বলাৎকারের বি’ষয়ে যেনো কাউকে কিছু না বলে,

বললে তাকে মা’রধর করা হবে বলে হু’মকি প্রদান করেন হাফেজ ওমর ফারুক। পরে সন্ধ্যার দিকে ছেলেটির পায়ুপথে ব্যাথা অনুভব হলে সে বাড়ি গিয়ে সমস্ত ঘ’টনা তার মাকে খুলে বলেন।

উ’ত্তেজিত জনতা হুজুরের মাথার চুল কে’টে ফে’লেন এবং গ’লায় জুতার মালা পরিয়ে ঘুরাতে চাইলে পু’লিশ এসে তাকে উ’দ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে ভি’কটিমের বাবা বা’দী হয়ে কচুয়া থানায় মা’মলা দা’য়ের করেন।

বলাৎকারের শি’কার হওয়া শি’শুটির বাবা জানান, একমাস আগেও সে আমার ছেলেকে বলাৎকার করেছিল কিন্তু ভ’য়ে আমার ছেলে আমাকে কিছু বলেনি।

গতকাল বলাৎকারের পরে আমার ছেলে ব্যাথা অনুভব করলে তার আম্মাকে সব কিছু খুলে বলে এবং আগের ঘ’টনাও বলে দেয়। আমরা হুজুর নামক এই নরপশুর দৃষ্টান্তমূ’লক শা’স্তি চাই।

কচুয়া থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা মহিউদ্দিন বলেন, ভি’কটিম ছাত্র আমাদের জানিয়েছে তাকে ২৮ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে বলাৎকার করা হয়।

আমরা বি’ষয়টি জানার পর ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে তাকে আ’টক করে থানায় নিয়ে আসি। পরে তাকে আ’দালতের মাধ্যমে কা’রাগারে পাঠানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here