প’তিতাপল্লী নয়, এবার অ-নলাইনে বুকিং কর-লেই বাড়িতে -আসবে না-রী!ব্যাংক থেকে পো-স্ট অফি-স, অন-লাইন ছা-ড়া- দুনিয়া অচল। বাজারও হয়ে যায় বাড়িতে বসে। তাহলে শা’রীরিক সু’খ কেন পাওয়া যাব’ে না ঘরে বসে।

সে দিন -য-খন প’তিতাপল্লীতে মুখ লুকিয়ে গি-য়ে শা’রীরিক তৃ’প্তি মিটি-য়ে নেওয়া। অত সময় -নেই।একাকি জীবন, বাইরে যেতেও ভালো লাগে না। স’ঙ্গী বেছে নিন ফেসবুকের বিশেষ বন্ধু পাতানোর পেজ থেকে। টাকা দিন অনলাইনে।

কাজ শুরু। সহজ ব্যপার। ইন্টারনেটে এসকর্ট সার্ভিস কিংবা ভিডিও চ্যাটের অতিসহজ প’দ্ধতিই এশিয়ার সবথেকে বড় যৌ’’নপল্লীর ব্যবসায় বা’ধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

দিনে দিনে আয় ক-মে যাচ্ছে।আগের থেকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ শ-তাংশ আয় কমে গি-য়েছে ক-লকা-তার সোনাগাছির যৌ’’ন-র্মী-দের। এ-ম-নটাই জা-নিয়েছে সো-নাগাছির মহি-লারা।

ব্রাজিলে ঘটে গেল এমন এক ঘ’টনা যা বিশ্বে কখনো হয়নি। জ’ন্মের সময় দুই শি’শুকেই ছেলে হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু জেন্ডার

কনফার্মেশন সার্জারির মাধ্যমে তারা না’রীতে রূপান্তরিত হয়েছেন। বলা হচ্ছে ব্রাজিলের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় এক ছোট্ট শহরে বেড়ে ওঠা ১৯ বছর ব’য়সী দুই যমজ বোন মাইলা এবং সোফিয়ার কথা।

মাইলা এবং সোফিয়া জ’ন্মের পর ছেলে হিসেবে চিহ্নিত হলেও তাদের কেউ কখনো পুরু’ষ ভাবেইনি। তারা সমাজে না’রী হিসেবেই চিহ্নিত হতেন।

এদিকে বিশ্বের প্রথম এই জাতীয় অ’স্ত্রোপচারের স’ঙ্গে জ’ড়িত ডা. জোসে কার্লোস মার্টিনস বলেছেন, যে এই যমজ জ’ন্মের সময় ছেলে হিসেবে জ’ন্মগ্রহণ করেছিলেন তবে এখন অ’স্ত্রোপচার করে ম’হিলা লি*ঙ্গ নিশ্চিতকরণের ঘ’টনা এটাই বিশ্বে প্রথম।

ডা জোসে আরো জানান, তাদের অ’স্ত্রোপচারে সময় লেগেছিল ৫ ঘণ্টা। এদিকে অ’স্ত্রোপচারের ১ সপ্তাহ পরে, মাইলা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাদের জীবন সংগ্রামের পুরো গল্পটি জানিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, আমি সর্বদা আমার শ’রীরকে ভালবাসি। মাইলা আর্জেন্টিনায় চিকিৎসা শাস্ত্রে পড়াশোনা করছেন।

তিনি আরও বলেছিলেন, ১৯ বছর ধরে আমরা যমজ বোন হিসাবে চিহ্নিত, আমাদের কখনই ছেলে হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয় তারা বহুবার যৌ*aন হ’য়রানির শি’কার হয়েছিলেন। এছাড়া অনেকবার তাদের দুজনকে বুলিংয়ের শি’কার হতে হয়েছিল। সে সময় দুই বোন নিজেদের একে অপরকে সমর্থন দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, আমরা শৈশব নি’র্যাতনের শি’কার হয়েছি, তবে আমাদের পরিবারের সর্বদা সমর্থন রয়েছে। মা বাবার আমাদের নিয়ে কোন সমস্যা হয়নি।

বরং বাইরের মানুষদের নিয়েই তারা ভ’য় পেয়েছেন। শুধু তাই নয় তাদের দাদা এই অ’স্ত্রোপচারের সম্পূর্ণ অর্থ বহন করেছেন। আর তা করতে গিয়ে ২০ হাজার ডলারের সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here