গুগলের বি’রুদ্ধে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত ত’থ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন থেকেই। এবার প্রমাণ মিলতেই বড় জরিমানা গুণতে হলো গুগলকে। ইতিমধ্যেই ৫০০ কোটি ডলার জরিমানার মুখে পড়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সংস্থা গুগল।

ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করে ওয়েবসাইট দেখার সময় ব্যবহারকারীর ত’থ্য সংগ্রহ করতে পারে গুগল। এমনকি নিজের ব্যক্তিগত ত’থ্য আড়ালে রাখতে ইচ্ছুক ব্যবহারকারী যদি নিজের ত’থ্য প্রকাশ করতে না চান,

তবে তাকে ‘ইনকগনিটো মোড’ ব্যবহার করতে বলা হয়। এবার সেই ‘ইনকগনিটো মোড’-এও ইনফরমেশন ট্র্যাকিংয়ের অভিযোগ উঠল গুগলের বি’রুদ্ধে।

অতএব মা’মলা এড়ানোর কার্যত আর কোনো পথই খোলা নেই গুগলের কাছে। এদিকে ইনকগনিটো মোডেও ব্যবহারকারীর ও’পর নজর রাখছে মা’র্কিন প্রতিষ্ঠান গুগল।

সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ‘অবহিত করেনি’। এই মা’মলায় অভিযোগকারীদের পক্ষে ৫০০ কোটি ডলার ক্ষ’তিপূরণ চাওয়া হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।

৪৮ লাখ টাকা কোনো টাকাই না, বললেন স’চিব

অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ হাজার বীর নিবাস তৈরি করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৪ হাজার ১২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এই প্রকল্পে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য খরচ ধরা হয়েছে ৪৮ লাখ টাকা।

৪ হাজার ১২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকার প্রকল্পে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য ৪৮ লাখ টাকা আসলে কোনো টাকাই না বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (স’চিব) মামুন-আল-রশিদ।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

এ সময় পরিকল্পনা স’চিব জয়নুল বারীসহ একনেকের বাকি সদস্যরা ছিলেন রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে।

বৈঠকে আবাসন নির্মাণসহ ৬ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৬১৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে স’রকারের নিজস্ব তহবিলের ৫ হাজার ১৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থার তহবিল হতে ৪২ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তার ৫৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

একনেক বৈঠক শেষে ব্রিফিং করেন পরিকল্পনা বিভাগের স’চিব জয়নুল বারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন-আল-রশীদ, পরিসংখ্যান ও ত’থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের স’চিব মোহাম্ম’দ ইয়ামিন চৌধরী এবং পরিকল্পা কমিশনের সদস্যরা।

জয়নুল বারী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি একটি উল্লে­খযোগ্য প্রকল্প। এর মাধ্যমে অস্বচ্ছল বীরদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে।

প্রকল্পের আওতায় ৩০ হাজার বীর নিবাস তৈরি করা হবে। মুজিব শতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এসব বাড়ি উপহার দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ স’রকারি অর্থায়নে চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে মুক্তিযু’দ্ধ বি’ষয়ক ম’ন্ত্রণালয়।

এক প্রশ্নের উত্তরে মামুন-আল রশিদ বলেন, প্রকল্পটিতে বৈদেশিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আমরা জেনেশুনেই রেখেছি। এটির প্রয়োজন আছে। এত বড় প্রকল্পে মাত্র ৪৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে ভিয়েতনামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফরের জন্য।

যেসব দেশ দীর্ঘ যু’দ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করেছে। পৃথিবীতে শুধু বাংলাদেশ না, আরও অনেক দেশ আছে যারা দীর্ঘদিন যু’দ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে। তারা কীভাবে সেসব স্পিরিট ফিল করে,

তাদের জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে- এগুলো কিছুটা দেখার দরকার আছে। আর যে প্রকল্প ৪ হাজার ১২২ কোটি টাকার, সেখানে ৪৮ লাখ টাকা- এটা আসলে কোনো টাকাই না। সেদিক থেকে আমি উৎসাহিত করেছি। ওটাতে আমি কোনো রকমের কাটছাঁট করিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here