উত্তর আমেরিকার ছোট্ট শহর ফেয়ার হেভেনের নাগরিকদের ভালমন্দ দেখাশোনার কাজ করছে একটি ছাগল। ছাগল বললে অবশ্য তাকে অ’পমানই করা হয়। কারণ যে সে

ছাগল নয়, ভারমন্টের ফেয়ার হেভেন শহরের গণভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়া মেয়র। গত ম’ঙ্গলবার ফেয়ার হেভেনে এই মেয়র নির্বাচনের গণভোট হয়। মেয়র পদের জন্য

প্রার্থী ছিল মোট ১৬ জন। তারা অবশ্য কেউই মানুষ নন। ছাগল, কুকুর, বিড়ালের মতো পোষা প্রা’ণীদের মধ্যেই এই নির্বাচন হয়। শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে ছিল স্যামি নামে এক কুকুর।

তাকে ৩ ভোটে হা’রিয়ে দেয় ওই ছাগলটি। নব নির্বাচিত মেয়রের নামটাও বেশ। তার নাম রাখা হয়েছে লিঙ্কন। ২৫০০ লোকের বাস ভারমন্ট শহরে। এতদিন কোনও মেয়র ছিলনা সেখানে। টাউন ম্যানেজার হিসাবে একজন ছিলেন। তিনিই এতদিন শহরের দেখভাল করতেন। এবার থেকে আগামী এক বছরের জন্য এই ছাগলের হাতেই ভারমন্ট শহরের উন্নয়নের দায়িত্ব নির্ভর করছে।

দীর্ঘদিন প’লাতক থাকার পর বিকালে থা;নায় আত্মস;ম;র্পণ ক’রতে এলে অভূতপূর্ব এই ঘ’টনাটি ঘ’টে।মিঠামইন থা’নার ওসি মো. জাকির রব্বানী জা’নান, মো. সোলাইমান মিঠামইন উপজে’লার শরীফপুর গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে। নারায়ণগঞ্জে’র আ;দালতে তার বি;রু;দ্ধে একটি সিআর মা;মলা রয়েছে।

এই মা;মলায় দুই বছরের মতো সময় ধ’রে তিনি প’লাতক রয়েছেন।গ্রে;ফ;তারি পরোয়ানাভুক্ত আ;সামি মো. সোলাইমানকে গ্রে;প্তা;রের জন্য পু;লি;শ একাধিকবার তার বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে অ;ভিযা;ন চা’লিয়েছে। কিন্তু তাকে গ্রে;প্তা;র করা যায়নি। এ অব’স্থায় শনিবার (১৩ মা’র্চ) বিকালে হ’ঠাৎ করে মিঠামইন থা;নার ডিউটি অফিসারের কাছে হাজির হন।

তিনি ডিউটি অফিসারকে জা’নান, তার বি;রু;দ্ধে গ্রে;প্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তিনি ধ’রা দিতে এসেছেন।গ্রে;ফ;তারি পরোয়ানাভুক্ত আ;সামি মো. সোলাইমানের এমন কথা’বা র্তায় হ;তবাক হন ডিউটি অফিসার।

তিনি মো. সোলাইমানকে নিয়ে যান থা;নার ওসি’র কক্ষে।ওসি মো. জাকির রব্বানীরও কিছুটা অবিশ্বা’স ঠেকে। তিনি সত্যিকার অর্থেই মো. সোলাইমান ওয়ারেন্টভুক্ত কি-না রেজিস্ট্রার খতিয়ে দে’খতে বলেন। রেজিস্ট্রার দেখে জা’না গেলো, সত্যিই মো. সোলাইমান ওয়ারেন্টভুক্ত একজন আ;সামি।

আ;ইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে নিজে নিজে ধ’রা দিতে থা;নায় চলে আ;সায় মো. সোলাইমানকে সাধুবাদ জা’নালেন ওসি মো. জাকির রব্বানী। মনে মনে সিদ্ধা’ন্ত নিলেন, একজন অ;ভিযু;ক্ত বা অ;পরা;ধী হিসাবে তিনি লোকটাকে পুরস্কৃত করবেন না আ;ইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্য’ক্তি হিসেবে তাকে পুরস্কৃত করবেন।

যেন তাকে অনুসরণ করে অন্যান্য প’লাতক আ;সা;মিরা এভাবে থা;নায় এসে হাজির হন।এ সিদ্ধা’ন্ত থেকে ওসি মো. জাকির রব্বানী তার হাতে গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জা’নান আ;ইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া মো. সোলাইমানকে।

মো. সোলাইমান তখন জা’নান, গ্রে;প্তা;রি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি পলা;তক রয়েছেন। থা;না পু;লিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে গ্রে;প্তা;র করার জন্য, প্রায়শই পু;লি;শ বাড়িতে হা’না দিচ্ছে। প’লাতক জীবন মানেই অশান্তিময়। ফলে তার মনে শুভবুদ্ধির উদয় হয়। পু;লি;শ কে আর ক;ষ্ট দিবে না।

সিদ্ধা’ন্ত নিলেন, পু;লি;শের হাতে ধ’রা দিবেন। তাই করলেন। নিজেই সশ’রীরে হাজির হলেন মিঠামইন থা;নায়।মিঠামইন থা;নার ওসি মো. জাকির রব্বানী আরো জা’নান, থা;নায় এসে মো. সোলাইমানকে ডিউটি অফিসার কি জন্য এসেছেন জিজ্ঞেস করলে সোলাইমান বলেন, আমা’র বি;রু;দ্ধে ওয়ারেন্ট আছে। আমি ধ’রা দিতে এসেছি।

এ সময় ডিউটি অফিসার অ’বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। আর ভাবতে শুরু করলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত একজন আ;সা;মিকে ধ’রতে কত ক;ষ্ট ক’রতে হয়। থাকে জীবনের ঝুঁ;কি। গ্রে;প্তার এড়াতে কত কৌশল অবলম্বন করে। পু;লি;শকে আ;ক্র;মণ ক’রতে দ্বি;ধা করে না। আ;ই;নের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে লোকটা চলে এসেছে থা;নায়। এরপরই ডিউটি অফিসার তাকে ওসি’র কাছে নিয়ে যান।

ওসি মো. জাকির রব্বানী বলেন, আম’রা আ’হ্বান জানচ্ছি যারা প’লাতক জীবন যাপনে রয়েছেন। আপনারা আ;ইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে থা;না অথবা বিজ্ঞ আ;দা;লতে অতিসত্বর হাজির হন। আপনার বি;রুদ্ধে যে মা;মলা থাকুক না কেন, তা আ;ইনি মো’কাবেলা করে নিষ্পত্তি করুন। বিচারিক কাজে সহযোগিতা করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here